পরিবারে কোলন ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে কোলন ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই এই ধরনের পরিবারের সদস্যদের কোলন ক্যানসারের লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং নিয়মিত স্ক্রিনিং করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পরিবারে কোলন ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে করণীয় কিছু বিষয় নিচে দেওয়া হল:
-
কোলন ক্যানসারের লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকুন। কোলন ক্যানসারের লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:
- নিয়মিত মলত্যাগ না হওয়া
- কমপক্ষে চার সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য বা পর্যায়ক্রমে ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য থাকা
- পায়ুপথে বা মলের সঙ্গে রক্ত যাওয়া
- পেটে অস্বস্তি ভাব, যেমন গ্যাস, পেট ফুলে থাকা, পেট মোচড়ানো, পেট ফাঁপা ভাব ইত্যাদি থাকা
- ক্রমে ওজন কমে যাওয়া
- রক্তশূন্যতা দেখা দেওয়া
- মলত্যাগের পরও পেট পুরোপুরি খালি হয়নি, এমন বোধ হওয়া
-
নিয়মিত স্ক্রিনিং করুন। কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত স্ক্রিনিং করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 50 বছর বয়স থেকে শুরু করে পরিবারে কোলন ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে প্রত্যেক ব্যক্তিকে প্রতি পাঁচ বছর পরপর কোলন ক্যাপচার পরীক্ষা (colonoscopy) করা উচিত। এই পরীক্ষায় কোলন এবং রেকটাম পরীক্ষা করে পলিপ বা ক্যানসারের উপস্থিতি নির্ণয় করা হয়।
-
স্বাস্থ্যকর জীবনধারা বজায় রাখুন। স্বাস্থ্যকর জীবনধারা বজায় রাখলে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। এজন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলি মেনে চলুন:
- স্বাস্থ্যকর খাবার খান। প্রচুর পরিমাণে ফল, শাকসবজি, এবং পূর্ণ শস্য (whole grains) খান। প্রক্রিয়াজাত খাবার, লাল মাংস, এবং প্রক্রিয়াজাত মাংসের পরিমাণ কমিয়ে দিন।
- নিয়মিত ব্যায়াম করুন। সপ্তাহে কমপক্ষে 150 মিনিট মাঝারি তীব্রতার ব্যায়াম বা 75 মিনিট তীব্র তীব্রতার ব্যায়াম করুন।
- ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
- ধূমপান এবং অ্যালকোহল পান এড়িয়ে চলুন।
পরিবারে কোলন ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে উপরোক্ত বিষয়গুলি মেনে চললে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।







