সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১১:৪৮:৩৭ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

তথ্য মন্ত্রণালয়ের আইন সময়োপযোগী করা হবে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য মন্ত্রণালয়ের আইন সময়োপযোগী করা হবে: তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা প্রেস প্রতিবেদক

 

প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ এবং ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের সম্প্রসারণের ফলে সৃষ্ট নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান আইন, বিধি ও নীতিমালা আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রয়োজন হলে নতুন আইনও প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
 

রোববার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইন সময়োপযোগীকরণ ও নতুন আইন প্রণয়ন-সংক্রান্ত এক সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
 

তথ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষের জীবনযাপন, যোগাযোগ, চিন্তাভাবনা ও সামাজিক আচরণে ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রভাব দিন দিন বাড়ছে। প্রযুক্তি যেমন নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে, তেমনি তৈরি করেছে নানা ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর ও আধুনিক আইনি কাঠামো গড়ে তোলা সময়ের দাবি।
 

তিনি জানান, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিদ্যমান সব আইন, বিধি, প্রবিধান ও নিয়মাবলি পর্যালোচনার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। কোন আইন আধুনিকায়ন করা প্রয়োজন, কোথায় নতুন আইন দরকার এবং কোথায় আইনি ঘাটতি রয়েছে—এসব বিষয় পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কমিটি সুপারিশ প্রণয়ন করবে।
 

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, একসময় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম মূলত প্রিন্ট ও সম্প্রচারমাধ্যমকেন্দ্রিক ছিল। কিন্তু ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও নতুন প্রযুক্তিনির্ভর যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তারে অনেক ক্ষেত্রই প্রচলিত আইনের আওতার বাইরে চলে এসেছে। তাই পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আইনি কাঠামোও হালনাগাদ করতে হবে।
 

মন্ত্রী আরও জানান, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম নিয়ন্ত্রণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রণীত আইন পর্যালোচনা করে বাংলাদেশের বাস্তবতার উপযোগী সুপারিশ তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
 

তিনি বলেন, সাইবার জগৎ, ডিজিটাল ট্রান্সমিশন এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন সেবাকে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর আওতায় আনতে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন অংশীজন, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, টেলিযোগাযোগ খাত এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মতামত গ্রহণ করা হতে পারে।
 

সভায় উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তথ্যমন্ত্রী নতুন চ্যালেঞ্জ দ্রুত শনাক্ত করা, সংশ্লিষ্ট অংশীজন নির্ধারণ, দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্র চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনে কমিটির বাইরের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়ার নির্দেশ দেন।
 

সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, অতিরিক্ত সচিব শাহ আলম, মন্ত্রণালয়ের আইনজীবী প্যানেলের সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।