মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৭:৩৬:০৭ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

কোক স্টুডিও বাংলায় আজ নতুন গান নিয়ে আসছেন আরফান

কোক স্টুডিও বাংলায় আজ নতুন গান নিয়ে আসছেন আরফান

কোক স্টুডিও বাংলার সর্বশেষ প্রকাশিত গানটি ছিল ভাটিয়ালি গান ‘নদীর কূল’। নদীর কূলের হাহাকার ছাপিয়ে আজ আসছে নতুন গান, হৃদয় ভরানো ভালোবাসার গান। সারি, ভাটিয়ালির পর প্রেমময় গানটি দর্শক-শ্রোতাদের মন জয় করে নেবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন আরফান মৃধা। শ্রোতাদের কাছে তিনি শিবলু নামে পরিচিত। এর আগে হাওয়া চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় ‘সাদা সাদা কালা কালা’ গানটি গেয়ে দর্শকশ্রোতার মন জয় করে নিয়েছিলেন তিনি।


কোক স্টুডিও বাংলার নতুন গানে কণ্ঠ দেওয়া প্রসঙ্গে আরফান মৃধা বলেন, ‘কোক স্টুডিও বাংলার নতুন গানটি একটি রোমান্টিক ফোক গান। এটা মূলত প্রেমের গান। আকুলতার গান। গানটির গীতিকার-সুরকার এমন একজন নিভৃতচারী মানুষ, যিনি নিজের মতো করে মুখে-মুখেই গান বাঁধেন, নিজের মতো করেই আনমনে গেয়ে ওঠেন। আশা রাখছি, কোক স্টুডিও বাংলার অন্যান্য গানের মতো এই গানও দর্শক-শ্রোতাদের ঘোরের মধ্যে রাখবে বেশ কিছুদিন।’


গানটিতে শিল্পী আরফান মৃধার সঙ্গে আরও কণ্ঠ দিয়েছেন আলেয়া বেগম। গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ইমন চৌধুরী। এই গানে কণ্ঠশিল্পীদের সঙ্গে সেতার ও ম্যান্ডালিনও বাজান তিনি। আজ সন্ধ্যায় কোক স্টুডিও বাংলার নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হবে নতুন গানটি।

উল্লেখ্য, কোক স্টুডিও বাংলা দ্বিতীয় মৌসুম শুরু করেছিল ‘মুড়ির টিন’ গান দিয়ে। শুরুতেই বাজিমাত। এরপর একে একে বিভিন্ন এলাকার আঞ্চলিক গানসহ সারি, ভাটিয়ালি ইত্যাদি গান প্রকাশ করা হয়।