সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬ এ ০৫:৩৭:৩৬ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• রাশেদ খানকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অবিলম্বে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির •       • রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে শতভাগ পাস, ৪৬ পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ •       • এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •

স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলায় দুই হাজার কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দ

স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলায় দুই হাজার কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দ

স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলায় দুই হাজার কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দ ২০২৪ সালের ৬ই জুন, বাংলাদেশ সরকার স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলায় দুই হাজার কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দ করেছে। এই বরাদ্দকৃত টাকা বিভিন্ন স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নে ব্যবহার করা হবে।

 

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে অতিরিক্ত ২০০০ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের প্রস্তাব করছি। একই সঙ্গে বিজ্ঞানের মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণার গুরুত্ব বিবেচনায় সমন্বিত স্বাস্থ্য-বিজ্ঞান গবেষণা ও উন্নয়ন তহবিলে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদানের প্রস্তাব করছি। এ ছাড়া, আধুনিক ও মানসম্পন্ন স্বাস্থ্য শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অধিক সংখ্যক মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, চিকিৎসা শিক্ষায় সকল স্নাতকোত্তর ডিগ্রিকে এক প্লাটফর্মের আওতায় নিয়ে আসা, পরীক্ষা পদ্ধতির আধুনিকায়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইত্যাদি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। 
 

আবুল হাসান মাহমুদ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাস্থ্য সেবা খাতকে গ্রামীণ জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রবর্তন করেন। এ সব কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে গ্রামীণ জনগণকে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং ২৭ ধরনের ঔষধ বিনামূল্যে প্রদান করা হচ্ছে।  
 

তিনি বলেন, সরকারের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ এবং নীতিসহায়তার ফলে বাংলাদেশ এখন বিশ্বমানের ঔষধ উৎপাদনে সক্ষম। দেশের মোট চাহিদার প্রায় ৯৮ ভাগ ঔষধ স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হচ্ছে। একই সঙ্গে পরিবার কল্যাণ সেবা সহজীকরণসহ মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে দক্ষ ধাত্রী ও মিডওয়াইফের মাধ্যমে নিরাপদ প্রসব সেবা দেওয়া হচ্ছে।