মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৪:২৭:৫৪ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •       • চার দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান •       • নরসিংদীতে বাসার গ্রিল কেটে ৫০ লাখ টাকা ও ৮ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি •       • কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি টুটুল গ্রেপ্তার •       • মাদরাসায় বলাৎকার ও অশালীন ঘটনা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার: ধর্মমন্ত্রী •       • বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর অনশন •       • মাদারগঞ্জে গাছে মরিচ আসতেই অজানা মড়ক: লোকসানের মুখে কৃষকরা, দেখা মেলেনি কৃষি কর্মকর্তার •       • মুরাদনগরে সাবেক মেম্বারের বসতঘরে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ, ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি •       • রাজধানীতে বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৩৪, মামলা ৩৭ •       • মুরাদনগরে ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি হোসেন গ্রেফতার •

শপথের পর বাংলাদেশের সঙ্গে প্রথম চুক্তি ট্রাম্প প্রশাসনের

শপথের পর বাংলাদেশের সঙ্গে প্রথম চুক্তি ট্রাম্প প্রশাসনের

ঢাকা প্রেস নিউজ

 

বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক সই করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসন। এটি ট্রাম্পের শপথ গ্রহণের পর বাংলাদেশের সঙ্গে প্রথম চুক্তি। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।
 

শনিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি লেখেন, “বাংলাদেশ সরকার আজ ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন এনার্জি এক্সপোর্ট ম্যান্ডেটের ওপর ভিত্তি করে একটি ল্যান্ডমার্ক এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর করেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর আমরা প্রথম দেশ হিসেবে তার প্রশাসনের সঙ্গে কোনো ডিল সাইন করলাম। ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার জনপ্রিয় স্লোগান ‘ড্রিল, বেবি, ড্রিল’ মূলত এই এনার্জি এক্সপোর্ট নীতির প্রতিফলন।”
 

তিনি আরও লেখেন, বাংলাদেশের জন্য এই চুক্তি দীর্ঘমেয়াদী গ্যাস সংকট সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ। “আমাদের দেশের ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ এবং কর্মসংস্থানের জন্য টেকসই গ্যাস সরবরাহের বিকল্প বের করতেই হবে। মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে আমেরিকা হতে পারে একটি আকর্ষণীয় বিকল্প।”

 

শপথের পর বাংলাদেশের সঙ্গে প্রথম চুক্তি ট্রাম্প প্রশাসনের




চুক্তির কূটনৈতিক তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “এই চুক্তির গুরুত্ব শুধু জ্বালানি ক্ষেত্রে নয়, এটি অর্থনৈতিক কূটনীতির ক্ষেত্রেও বড় সাফল্য। ট্রাম্প প্রশাসন সরাসরি ফলাফল দেখতে চায়, তারা আলোচনার চেয়ে অ্যাকশনকে প্রাধান্য দেয়। লুইজিয়ানার সিনেটর বিল ক্যাসিডি এই সাইনিংয়ের কথা শুনে আমাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। ভবিষ্যতে যখন আমরা ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে যাবো, তখন আমরা গর্বের সঙ্গে বলতে পারবো যে বাংলাদেশ তার প্রথম আন্তর্জাতিক অংশীদার ছিল।”
 

তিনি আরও বলেন, “অনেকে ভাবেন, ট্রাম্প আসার পর আমাদের সম্পর্কের অবনতি হবে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি খুবই স্থিতিশীল। তারা হঠাৎ করে ১৮০ ডিগ্রি পরিবর্তন করে না। আমরা সৎ হতে পারি, কিন্তু বোকা নই।”

 

আশিক চৌধুরী উল্লেখ করেন, “এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানাভিত্তিক আর্জেন্ট এলএনজির সঙ্গে একটি বড় এলএনজি সরবরাহ চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। এ চুক্তির আওতায় প্রতি বছর বাংলাদেশ ৫ মিলিয়ন টন (৫০ লাখ টন) তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি করবে।”
 

উল্লেখ্য, গত ২১ জানুয়ারি দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই চুক্তি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে তার প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে।