মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০২:১১:১৬ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

লাশ গুমে জড়িত সিয়াম হোসেন নেপালে আটক

লাশ গুমে জড়িত সিয়াম হোসেন নেপালে আটক

ভারতে চিকিৎসা করাতে গিয়ে ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ডের অন্যতম সন্দেহভাজন মো. সিয়াম হোসেন নেপালে আটক হয়েছেন।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) নেপাল পুলিশ তাকে আটক করেছে বলে কাঠমান্ডুর একটি কূটনৈতিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

 

আটক সিয়াম এমপি আজিমের লাশ গুমে জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার বাড়ি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায়। তিনি আক্তারুজ্জামান শাহীনের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন বলে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট পুলিশ সূত্র থেকে জানা গেছে।

 

সিয়ামকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য এরই মধ্যে বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

বাংলাদেশ পুলিশের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা নেপালে সিয়ামের আটকের বিষয়টি অনানুষ্ঠানিকভাবে জেনেছেন। এই অবস্থায় আটক সিয়ামের বিষয়ে নেপালের সঙ্গে কলকাতা পুলিশও যোগাযোগ রাখছে বলে কাঠমান্ডুর একটি সূত্র থেকে জানা গেছে।

 

আনার হত্যার তদন্ত-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, গত ১৩ মে কলকাতায় সংসদ সদস্য আনার হত্যার পর লাশ গুমের ক্ষেত্রে সিয়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এরপর তিনি কলকাতা থেকে নেপাল যান। হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী আক্তারুজ্জামান শাহীনও ২০ মে ঢাকা থেকে দিল্লি হয়ে কাঠমান্ডু যান। পরে সেখান থেকে দুবাই হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান।

 

সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীমকে খুনের ঘটনায় ভারতের কলকাতার নিউটাউন থানায় সেখানকার পুলিশ একটি মামলা করেছে। আবার ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন আনারের ছোট মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন। পারস্পরিক তথ্য বিনিময়ের মধ্য দিয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও কলকাতা পুলিশ মামলার তদন্ত করছে। এই ঘটনায় ঢাকায় তিনজন এবং কলকাতায় একজন গ্রেফতার হয়েছেন। এই অবস্থায় আটক সিয়ামের বিষয়ে নেপালের সঙ্গে কলকাতা পুলিশও যোগাযোগ রাখছে বলে কাঠমান্ডুর একটি সূত্র থেকে জানা গেছে।

 

ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ গত বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেছেন, আক্তারুজ্জামান ও সিয়ামের পাসপোর্ট, মুঠোফোন নম্বরসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ইন্টারপোলকে অবহিত করেছেন। এই দুজনকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ডিবির পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও নেপালে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। এ ছাড়া আক্তারুজ্জামানকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরাতে ভারতেরও সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

 

এদিকে সংসদ সদস্য আনারের হত্যা তদন্তে আজ নেপাল যাবেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম। এ টিমে নেতৃত্বে দেবেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ও ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। তার সঙ্গে আরও দুজন যাবেন। সকাল ১০ টায় ফ্লাইটে নেপালের উদ্দেশে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন তারা।