সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৪:৪৩:০১ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

রমজানে ঘুমের সমস্যা সমাধানের উপায়

রমজানে ঘুমের সমস্যা সমাধানের উপায়

রমজানে ঘুমের সাইকেলটা বিঘ্নিত হবেই। এসময় অবশ্য খাদ্যাভ্যাসের কারণে ঘুমেরও বিঘ্ন ঘটে। আর এই বিঘ্ন এড়ানোর জন্য কিছু অভ্যাস গড়ে নিতে হবে। 


খাবারে সমঝোতা

রমজানে অনেকেই যা ইচ্ছে তা-ই খান। এমনটি করবেন না। খাবারে সংযত হওয়া উচিত। ভাজাপোড়া বা শারীরিক সমস্যা হয় এমন খাবার এড়ানো উচিত। ভাজাপোড়া বা অত্যধিক তৈলাক্ত খাবারে বুকে জ্বলুনি, গ্যাস্ট্রিক, কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা ঘুম বিঘ্নিত করে। সুস্থ ডায়েট অনুসরণ করুন, ঘুমে সমস্যা হবে না। 


স্বাস্থ্যকর খাবার খান। সেহরি, ইফতার ও রাতের খাবারে নির্ধারণ করে নিন কি খাবেন। খাবারের আইটেমে সবজি, প্রোটিন ও কম মশলাযুক্ত খাবার রাখা ভাল। বিশেষত চিকেন রান্না করলে তা পুনরায় গরম না করে খাওয়াই ভালো। এছাড়া শরীরের পানিশূন্যতা দূর করার জন্যও ব্যবস্থা নিতে হবে।


ঘুমানোর আদর্শ পরিবেশ

যতটুকুই ঘুমানোর সময় পান পরিবেশটা শান্ত রাখুন। শোবার ঘরে আলো কমিয়ে রাখুন, ঠাণ্ডা পরিবেশ নিশ্চিত করুন। মোবাইল ফোনের ব্যবহার কমান। পারলে দূরে রাখুন। ঘুমোনোর ক্ষেত্রে বালিশ, বিছানা আরামদায়ক করে রাখলে সহজেই ঘুম আসবে। 


হালকা ঘুম

হালকা ঘুম দিলে ক্লান্তি সহজেই দূর হয়। প্রথম কদিন আপনার সমস্যা হবে। কিন্তু আস্তেধীরে যখন মানিয়ে নিবেন তখন দেখবেন আর ঝামেলা হচ্ছে না। সেহরির আগ পর্যন্ত হাল্কা ঘুম দিয়ে সকাল পর্যন্ত ভেঙে ভেঙে ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে নিন। 


বিশ্রামের সময় খুঁজুন

সারাদিন ব্যস্ততা, ইবাদত ও রোজার কাজকর্মের মাঝে বিশ্রামের সময় খুঁজুন। অতিরিক্ত ব্যস্ততায় অনেক সময় ক্লান্তি বোঝা যায় না। ফলে মস্তিষ্ক সচল থাকায় বা উত্তেজিত থাকায় ঘুম আসে না। সেজন্যই পর্যাপ্ত বিশ্রামের সুযোগ নিন।