সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৬:৪১:১৩ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• হাতিয়ায় ছাত্রশিবিরের জুলাই শহীদ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন: চ্যাম্পিয়ন তমরুদ্দি হাইস্কুল •       • কীর্তিমানের আলো ও মেধার সম্মান: রাজধানীতে চট্টগ্রাম সমিতির মহা-মিলনমেলা •       • বাঙ্গরা উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রথম মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠার আহ্বান •       • কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০, ছয়জনের পরিচয় শনাক্ত •       • অভিযানেও থামছে না অবৈধ অটোরিকশা, ডাম্পিং এড়াতে আরও বেপরোয়া চালকরা •       • মুরাদনগরে ২৮ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার •       • অর্থাভাবে থমকে থাকা চোখে আলোর পরশ: মুরাদনগরে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন ৩০০ মানুষ •       • মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •

বারবার কেন দুর্ঘটনায় পড়ছে একই মডেলের যুদ্ধবিমান?

বারবার কেন দুর্ঘটনায় পড়ছে একই মডেলের যুদ্ধবিমান?

রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি এফ-৭ বিজিআই প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে ২৫ জনই শিশু বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্যবিষয়ক সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান।
 

ঘটনাস্থলে বিধ্বস্ত বিমানটির পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলাম সাগরও প্রাণ হারান। তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হলে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
 

জানা গেছে, দুর্ঘটনার সময় তিনি জনবসতিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে তুলনামূলক জনশূন্য এলাকায় বিমানটি অবতরণের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেটি দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে গিয়ে বিধ্বস্ত হয়।
 

এফ-৭ মডেলের যুদ্ধবিমান নিয়ে আগেও একাধিক দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। এক দশকের ব্যবধানে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে বারবার এই মডেলের বিমান দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে, যা এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
 

চীনের তৈরি এই যুদ্ধবিমান এক সময় উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য কম খরচের আকাশ প্রতিরক্ষা সমাধান হিসেবে বিবেচিত হতো। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই সাশ্রয়ী সমাধান এখন পরিণত হয়েছে সম্ভাব্য ঝুঁকির উৎসে। পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নাইজেরিয়া, ইরানসহ যেসব দেশে এটি ব্যবহৃত হচ্ছে, সেসব দেশেই প্রায়শই এই বিমান দুর্ঘটনার খবরে উঠে আসে।