সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৭:৫২:২২ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• হাতিয়ায় ছাত্রশিবিরের জুলাই শহীদ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন: চ্যাম্পিয়ন তমরুদ্দি হাইস্কুল •       • কীর্তিমানের আলো ও মেধার সম্মান: রাজধানীতে চট্টগ্রাম সমিতির মহা-মিলনমেলা •       • বাঙ্গরা উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রথম মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠার আহ্বান •       • কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০, ছয়জনের পরিচয় শনাক্ত •       • অভিযানেও থামছে না অবৈধ অটোরিকশা, ডাম্পিং এড়াতে আরও বেপরোয়া চালকরা •       • মুরাদনগরে ২৮ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার •       • অর্থাভাবে থমকে থাকা চোখে আলোর পরশ: মুরাদনগরে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন ৩০০ মানুষ •       • মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •

নথি গায়েব করে ১৪৬ কোটি টাকার কর ফাঁকি: দুদকের মামলায় তিন কর্মকর্তা অভিযুক্ত

নথি গায়েব করে ১৪৬ কোটি টাকার কর ফাঁকি: দুদকের মামলায় তিন কর্মকর্তা অভিযুক্ত

নথি গায়েব করে ১৪৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকার কর ফাঁকির ঘটনায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ঢাকা কর অঞ্চল-৫ এর তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
 

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) দুদকের কমিশন বৈঠকে মামলাটি অনুমোদন দেওয়া হয়। শিগগিরই দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম মামলাটি দায়ের করবেন।
 

অভিযুক্ত তিন কর্মকর্তা হলেন— কর অঞ্চল-৫ এর কর কমিশনার আবু সাঈদ মো. মুস্তাক, অতিরিক্ত কর কমিশনার গোলাম কবীর এবং উপ-কর কমিশনার লিংকন রায়।
 

দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ২০২০-২১ ও ২০২১-২২ করবর্ষে ধামশুর ইকোনমিক জোন লিমিটেডের কর দাবির পরিমাণ ছিল ১৪৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। তবে কর্মকর্তা বদলির পর নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কর নির্ধারণী আদেশ পরিবর্তন ও পরিমার্জন করে দাবি শূন্য টাকা ও ১ হাজার টাকায় নামিয়ে আনেন। এতে বিপুল অঙ্কের রাজস্ব ফাঁকির সুযোগ তৈরি হয়। শুধু তাই নয়, মূল কর নির্ধারণী আদেশের নথিও গায়েব করে দেওয়া হয়, যা দুদকের অভিযানে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
 

এর আগে গত ৯ জুলাই কর অঞ্চল-৫ এ এনবিআরের নথি গায়েব ও কর ফাঁকির ঘটনায় দুদক এনফোর্সমেন্ট অভিযান চালায়। সে সময়ও অভিযোগের সত্যতা মেলে।