বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৬:৪৭:২০ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

সুরক্ষা বলয়ের দুঃসহ স্মৃতি এখনো পোড়ায় কোহলিকে

সুরক্ষা বলয়ের দুঃসহ স্মৃতি এখনো পোড়ায় কোহলিকে

সারা পৃথিবীকে থমকে দিয়েছিল করোনাভাইরাস। কেড়ে নিয়েছে অসংখ্য মানুষের প্রাণ। খেলাধুলা তো বটেই, মানুষের ঘরের বাইরে যাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বিজ্ঞানীদের প্রচেষ্টায় সেই বিপদ থেকে মুক্ত হয়েছে পৃথিবী।

কোভিড মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। ক্রীড়াবিদরাও তার বাইরে নন। সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে তাদের জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকতে হতো। কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা? সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করলেন বিরাট কোহলি।

করোনাভাইরাস যখন ধীরে ধীরে শক্তি হারাচ্ছে, তখন শুরু হয়েছিল ঘরোয়া এবং আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলো। প্রথমদিকে তো মাঠে দর্শক ঢুকতে দেওয়া হতো না। খেলোয়াড়দের রাখা হত জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে। খেলা এবং অনুশীলনের বাইরে হোটেলের নির্দিষ্ট অংশের মধ্যে বন্দি থাকতে হতো।


কারও সঙ্গে মেলামেশা করার সুযোগ ছিল না। ইচ্ছা মতো বাইরে কোথাও যাওয়ার তো প্রশ্নই উঠত না। কখনও কখনও টানা দুই মাসও এভাবে কাটাতে হয়েছে তাদের। পরিবার থেকে এতদিন দূরে থাকা ছিল কষ্টকর।

এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও খেলোয়াড়দের মনে সেই সময়ের দুঃসহ স্মৃতি থেকে গেছে।

টেস্ট বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে কোহলি এখন ইংল্যান্ডে। সেখানে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে বলতে পারি, জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে থাকা ছিল বেশ কঠিন। চারদিকে কত কিছু ঘটে যেত, যেগুলো জানতাম না। ক্রিকেটের বিষয়ও ঘটে। অনেক পরে সবাই জানতে পারে। সেই পরিস্থিতির মধ্যে কীভাবে থাকতাম তা কেউ জানে না। ওই সময় আমাদের মানসিক অবস্থা কী ছিল- তা বলে বোঝানো সম্ভব নয়।’