মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০২:২৮:১০ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

বিয়েতে ১০০ অতিথির বেশি হলে প্রতিজনে ১ হাজার টাকা ট্যাক্স

বিয়েতে ১০০ অতিথির বেশি হলে প্রতিজনে ১ হাজার টাকা ট্যাক্স

বিয়ের অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি অতিথি উপস্থিত থাকলে অতিরিক্ত প্রতিজনের জন্য কর আরোপের প্রস্তাব দিয়েছেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা মো. শাহাদাত হোসেন। তার দাবি, সামাজিক অনুষ্ঠানে অপ্রয়োজনীয় অপচয় কমানো গেলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও কমতে পারে।

 

শুক্রবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।

 

শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্তমানে বিয়ে ও বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে ব্যাপক অপচয় হচ্ছে। বিশেষ করে গায়ে হলুদসহ নানা আয়োজনে অতিরিক্ত জাঁকজমক, নাচ-গান এবং প্রদর্শনীর জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে। এমনকি এসব আয়োজনের প্রস্তুতির জন্য এক মাস পর্যন্ত প্রশিক্ষণ নেওয়ার ঘটনাও দেখা যায়।

 

তিনি আরও বলেন, এসব অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন। কিন্তু পরিবেশিত খাবারের একটি বড় অংশ অপচয় হয়। এই অপচয় বন্ধ করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

 

বিএনপির এই সংসদ সদস্য জানান, অতীতে দেশে এমন একটি অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন ছিল, যেখানে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে কর দিতে হতো। সেই ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি প্রস্তাব দেন, ১০০ জনের অতিরিক্ত প্রতিটি অতিথির জন্য এক হাজার টাকা করে কর নির্ধারণ করা যেতে পারে।

 

তার ভাষ্য, বিয়ে-শাদিতে অপ্রয়োজনীয় জাঁকজমক, অপচয় এবং তিনি যাকে ‘অশ্লীল প্রদর্শনী’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তা নিয়ন্ত্রণ করা গেলে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর চাপ কমবে। তার দাবি, এ ধরনের অপচয় বন্ধ করা সম্ভব হলে একদিনেই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমে আসতে পারে।