রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬ এ ১১:৪৩:২৯ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• রাশেদ খানকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অবিলম্বে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির •       • রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে শতভাগ পাস, ৪৬ পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ •       • এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা: প্রশ্ন ফাঁস করে চাকরি পাওয়াদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা: প্রশ্ন ফাঁস করে চাকরি পাওয়াদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

ঢাকা প্রেস নিউজ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস করে চাকরি পাওয়া ক্যাডারদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



১৪ জুলাই, ২০২৪: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস করে পরীক্ষা পাস করে চাকরি পাওয়া ক্যাডারদের খুঁজে বের করতে পারলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

রোববার (১৪ জুলাই) বিকেল ৪টায় গণভবনে চীন সফর নিয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, "ঘুষ যে নেয় এবং ঘুষ যে দেয়, দুজনেই সমান অপরাধী।" তাই প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তাদের মাধ্যমে অনুসন্ধান করে কারা কারা এর সুবিধাভোগী তা বের করে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 

তিনি আরও বলেন, সরকারি চাকরিতে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও অনিয়মের ঘটনাগুলোর সূচনা বিএনপির আমলে। জিয়াউর রহমানই এসব অনিয়মের সূচনা করেছিলেন এবং খালেদা জিয়ার আমলে তা আরও বৃদ্ধি পায়।
 

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ২০০২ সালে ২৪তম বিসিএস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ঐ সময় কোন পরীক্ষা-টেস্ট ছিল না। হাওয়া ভবন থেকে তালিকা বিতরণ করা হত। ঢাকা কলেজে একটি বিশেষ কক্ষে বসে তালিকাভুক্তরা পরীক্ষা দিয়ে চাকরি পেয়েছিল। প্রশ্নপত্র ফাঁস ও অনিয়ম তখন থেকেই শুরু।
 

শেখ হাসিনা বলেন, অনেকে বলে থাকেন, এসব ধরতে গেলে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে। কিন্তু তিনি এটা মানেন না। অন্যায়-অবিচার ধরা হবেই। তাদের ধরতেই হবে। ছেড়ে দিলে অনিয়ম আরও বৃদ্ধি পাবে। সরকার আন্তরিকতার সাথেই কাজ করছে বলেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাগুলো ধরা পড়ছে। অনেক দিন ধরে চেষ্টা করে অবশেষে সফল হওয়া গেছে।