বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৬:৪৬:২৬ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

জেল খাটার অভিজ্ঞতা নিতে শিশুকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৬ কিশোর

জেল খাটার অভিজ্ঞতা নিতে শিশুকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৬ কিশোর

নিউজ ডেস্ক, ঢাকা প্রেস


 

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় জেল খাটার অভিজ্ঞতা নেওয়ার কৌতূহল থেকে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে কিশোরদের একটি দল। এ ঘটনায় জড়িত ছয় কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
 

সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সি এ তথ্য জানান।
 

পুলিশ জানায়, নিহত হোসাইন তার বাবার সঙ্গে শহরে ফুল বিক্রি করত। গত ১৮ এপ্রিল সকাল থেকে নিখোঁজ থাকার পর ২৩ এপ্রিল বিকেলে ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর ব্যাংক কলোনি এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
 

তদন্তে জানা গেছে, ফতুল্লা রেলস্টেশন সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত স্থানে আড্ডা দেওয়া কয়েক কিশোর পরিকল্পিতভাবে হোসাইনকে ডেকে নিয়ে যায়।
 

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, সাইফুল, তানভীর ও ইউনুস প্রথমে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে যে, ‘খুন করলে জেলে যেতে হয়’—এই অভিজ্ঞতা নেওয়ার উদ্দেশ্য থেকেই তারা হত্যার পরিকল্পনা করে। পরে পথ দিয়ে যাওয়া হোসাইনকে গাঁজা সেবনের প্রলোভন দেখিয়ে ঘটনাস্থলে নেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিল তাদের আরও তিন সহযোগী রাহাত, হোসাইন ও ওমর। এরপর সবাই মিলে ছুরিকাঘাতে তাকে হত্যা করে এবং মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায়।
 

তিনি আরও জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর অভিযান চালিয়ে প্রথমে ইয়াসিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে আরও পাঁচ কিশোরকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে চারজন এজাহারভুক্ত এবং তদন্তে আরও দুজনকে শনাক্ত করা হয়েছে।
 

পুলিশ সুপার বলেন, মামলার প্রধান আসামি ইয়াসিন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো ছুরিও উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো একজন পলাতক রয়েছে।