সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১০:২৯:০৮ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• হাতিয়ায় ছাত্রশিবিরের জুলাই শহীদ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন: চ্যাম্পিয়ন তমরুদ্দি হাইস্কুল •       • কীর্তিমানের আলো ও মেধার সম্মান: রাজধানীতে চট্টগ্রাম সমিতির মহা-মিলনমেলা •       • বাঙ্গরা উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রথম মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠার আহ্বান •       • কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০, ছয়জনের পরিচয় শনাক্ত •       • অভিযানেও থামছে না অবৈধ অটোরিকশা, ডাম্পিং এড়াতে আরও বেপরোয়া চালকরা •       • মুরাদনগরে ২৮ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার •       • অর্থাভাবে থমকে থাকা চোখে আলোর পরশ: মুরাদনগরে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন ৩০০ মানুষ •       • মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •

গাইবান্ধায় দুর্নীতির সিন্দুক হঠাৎ খুলে পড়ল: নীরব দর্শক প্রশাসন!

গাইবান্ধায় দুর্নীতির সিন্দুক হঠাৎ খুলে পড়ল: নীরব দর্শক প্রশাসন!

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:-


‘ডিম পাড়ে হাঁস, খায় বাগডাশে’ এই প্রবাদ যেন হুবহু মিলছে গাইবান্ধা জেলা পরিষদের কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের সঙ্গে। ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে সরকারি কোষাগার থেকে প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশ পেলেও এখনো পর্যন্ত কোনো তদন্ত কমিটি গঠন হয়নি।

 

গাইবান্ধা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দাস মুঠোফোনে জানান, “অভিযোগটি এখনো প্রসেসিংয়ে আছে, ফাইল পুটাপ হয়েছে।
 

অথচ, গত ৩ জুলাই গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জাভেদ হোসেন লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, জেলা পরিষদের অফিস সহকারী ইসমাইল হোসেন বেআইনিভাবে হিসাবরক্ষকের দায়িত্ব দখল করে দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া প্রকল্পের নামে সরকারি অর্থ লুট করছেন।
 

১৯টি চেকের মাধ্যমে অজানা খাতে ৪,৪৭,৫০০ টাকা ব্যয়ের বিষয়টি বিশেষভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।
 

অন্যদিকে অভিযোগ উত্থাপনের আট দিন পার হলেও এখনো পর্যন্ত জেলা প্রশাসক কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি এ নিয়ে জনমনে দেখা দিয়েছে ব্যাপক প্রশ্ন। এমনকি জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তাও জেলা প্রশাসক বিষয়টি জানেন কি না, সে বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারেননি।
 

এমন অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, দুর্নীতির এমন বিস্ফোরক অভিযোগের পরও জেলা প্রশাসন কেন নীরব? আর কতদিন অপেক্ষা করতে হবে সুষ্ঠু তদন্ত আর জবাবদিহিতার জন্য?