বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১১:৫৮:০৪ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

বাহুবলে কিশোরী আহতের ঘটনায় ভিন্নমত, মামলাকে ঘিরে বিতর্ক

বাহুবলে কিশোরী আহতের ঘটনায় ভিন্নমত, মামলাকে ঘিরে বিতর্ক

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:


হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার পূর্ব জয়পুর গ্রামে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে এক কিশোরী আহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের করা মামলায় নির্দোষ ব্যক্তিদের জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ এপ্রিল রাত সাড়ে ৮টার দিকে পূর্ব জয়পুর গ্রামের কয়েকজন নারীর মধ্যে কথাকাটাকাটির জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আব্দুল হাইয়ের মেয়ে আহত হন।

ঘটনার সময় কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়ির এক কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে স্থানীয়দের দাবি।

এদিকে, মামলায় আহত কিশোরীকে শিক্ষার্থী হিসেবে উল্লেখ করা হলেও স্থানীয়দের একটি অংশ বলছে, তিনি কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রী নন। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ঘটনার পর আব্দুল হাই বাদী হয়ে টেনু মিয়া (৭০), তার ছেলে খোকন মিয়া এবং দিলারা খাতুনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় টাকার বিনিময়ে নির্দোষ ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে—এমন অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা।

মামলায় একটি জাতীয় দৈনিকের সাংবাদিক নাজমুল ইসলাম হৃদয়কেও আসামি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না এবং অন্য স্থানে অবস্থানের প্রমাণ হিসেবে সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে।

এ বিষয়ে বাহুবল মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।