সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১১:৫৮:২৬ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

রমনা বটমূলে বোমা হামলা: হাইকোর্টের রায় যে কোনো দিন

রমনা বটমূলে বোমা হামলা: হাইকোর্টের রায় যে কোনো দিন

২০০১ সালে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের সময় রমনা বটমূলে ছায়ানটের আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ভয়াবহ বোমা হামলার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও জেল আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। হাইকোর্ট যেকোনো দিন রায় ঘোষণা করতে পারে।
 

বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের নেতৃত্বে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার শুনানি শেষ করে মামলাটি সিএভি (রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ) রেখেছেন। আদালতে আসামিপক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও সরওয়ার আহমেদ, আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আক্তার রুবী।

 

২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল রমনা বটমূলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে সংঘটিত এই বোমা হামলায় ঘটনাস্থলেই নয়জন নিহত হন, পরে হাসপাতালে মারা যান আরও একজন। হামলার পরপরই রাজধানীর নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির সার্জেন্ট অমল চন্দ্র চন্দ রমনা থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা দায়ের করেন।
 

পরবর্তী তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ৩০ নভেম্বর পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ১৪ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৪ সালের ২৩ জুন ঢাকার বিচারিক আদালত এই মামলার রায় ঘোষণা করে।

 

বিচারিক আদালতের রায়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ (হুজি)-এর শীর্ষ নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানসহ আটজনের মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
 

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—
✅ মুফতি আব্দুল হান্নান (যার মৃত্যুদণ্ড ইতোমধ্যে কার্যকর হয়েছে)
✅ মাওলানা আকবর হোসেন
✅ আরিফ হাসান সুমন
✅ মাওলানা তাজউদ্দিন
✅ হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর
✅ মাওলানা আবু বকর ওরফে মাওলানা হাফেজ সেলিম হাওলাদার
✅ মাওলানা আবদুল হাই
✅ মাওলানা শফিকুর রহমান

 

বিচারিক আদালতের রায় ঘোষণার পর মামলাটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে আসে এবং আসামিরা জেল আপিল দায়ের করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট রায় ঘোষণার অপেক্ষায় রেখেছে।

 

হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হলেও বিস্ফোরক মামলাটি ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে।