বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন অনুষদের ১৯ শিক্ষার্থী ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সহকারী জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এ পরীক্ষায় সারাদেশ থেকে মোট ২০০ জনকে সহকারী জজ পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
গত বুধবার বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের (বিজেএসসি) অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
সুপারিশপ্রাপ্ত ১৯ শিক্ষার্থীর মধ্যে আইন বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের আরিফুল ইসলাম; ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের আসিফ ইসলাম ও শফিক শোভন; ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাদিয়া আফরিন; ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের হুমায়ন কবির ও সালমা খাতুন; ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শারমিন খাতুন, শাকির আলম, মেহবুবা মোহিনী, রফিকুজ্জামান, আনোয়ার হোসেন ও ইয়াসমিন খাতুন; ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের লিখন এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের আমজাদ হোসেন রয়েছেন।
এ ছাড়া ল অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের তৌহিদুল ইসলাম ও এ এইচ হাবিব, ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের নুসরাত জাহান তানী, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রুকনুজ্জামান রায়হান এবং আল ফিকহ অ্যান্ড ল বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রাজু আহমেদ সহকারী জজ পদে সুপারিশ পেয়েছেন।
মেধাতালিকায় ২৪তম স্থান অর্জন করেছেন আইন বিভাগের শিক্ষার্থী শারমিন খাতুন। নিজের সাফল্যের অনুভূতি জানিয়ে তিনি বলেন, শুরুতে সন্তান ও সংসার সামলে বিজেএসের প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় বের করতে পারেননি। তবে স্বপ্ন পূরণের দৃঢ় ইচ্ছা তাকে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করেছে। এ সময় স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতা ও উৎসাহ পেয়েছেন বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে মেধাতালিকায় ২৬তম স্থান অর্জন করেছেন আল ফিকহ অ্যান্ড ল বিভাগের রাজু আহমেদ। তিনি জানান, অনার্সের ফল প্রকাশের আগেই বিজেএস পরীক্ষায় আবেদন করেছিলেন। বর্তমানে তার মাস্টার্সের পড়াশোনা চলমান রয়েছে।
রাজু আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই বিচারক হওয়ার স্বপ্ন ছিল। দেশ ও মানুষের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করার ইচ্ছা থেকেই তিনি এ লক্ষ্যে এগিয়ে যান। প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ফল পাওয়ায় তিনি আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।







