শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৩:৪৫:১৪ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

নির্বাচনের আগের দিন ঢাবি উপাচার্যের পদত্যাগের ঘোষণা

নির্বাচনের আগের দিন ঢাবি উপাচার্যের পদত্যাগের ঘোষণা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক এক দিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।
 

 

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।
 

সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য বলেন, নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার যেন তাদের নিজস্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রশাসন গঠন করতে পারে—সে লক্ষ্যে তিনি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে তিনি এখনই দায়িত্ব ছেড়ে দিচ্ছেন না বলে জানান।
 

ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি এখনও পদত্যাগপত্র জমা দেননি। নির্বাচনের পর নতুন সরকার গঠিত হলে তাদের পূর্ণ সহযোগিতা নিশ্চিত করতে কিছুদিন আরও দায়িত্ব পালন করবেন।
 

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১০ আগস্ট তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল পদত্যাগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে একই বছরের ২৭ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানকে সাময়িকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর।
 

পদত্যাগের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যায় ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও প্রশাসনিক গতিশীলতা বজায় রাখাই তার মূল লক্ষ্য। নির্বাচিত সরকার যেন তাদের কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পুনর্গঠন করতে পারে, সে কারণেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
 

তিনি আরও জানান, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তিনি কাজ করে যাবেন এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে নতুন প্রশাসনের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করবেন।