বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৩:২৭:১৮ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

অ্যান্টার্কটিকার বরফ দ্রুত গলে যাওয়ায় গভীর সমুদ্রের স্রোত হ্রাসে

অ্যান্টার্কটিকার বরফ দ্রুত গলে যাওয়ায় গভীর সমুদ্রের স্রোত হ্রাসে

অ্যান্টার্কটিকার বরফ দ্রুত গলে যাওয়ায় গভীর সমুদ্রের স্রোত হ্রাস পাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন, ২০৫০ সালের মধ্যে এই প্রবাহ ৪০ শতাংশ বন্ধ হয়ে যাবে। পরিবেশের ওপর এর বিরূপ প্রভাব আগামী একশ বছর পৃথিবীকে ভোগ করতে হবে। অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীদের এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমুদ্রের পানির লবণাক্তটা কমে যাওয়ায় সামুদ্রিক জীব বৈচিত্র্যও ঝুঁকির মুখে পড়বে। খবর আল-জাজিরার। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, জীবাশ্ম জ্বালানির অতিরিক্ত ব্যবহার, নির্বিচারে বনাঞ্চল পরিষ্কার করাসহ মানবসৃষ্ট কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের বিরূপ প্রভাব ক্রমাগত অ্যান্টার্কটিকার হিমবাহগুলো গলে যাচ্ছে, যা কোটি কোটি বছর ধরে জমা হচ্ছে।

অস্ট্রেলীয় বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে এই বরফ আরও দ্রুত গলে যেতে শুরু করেছে। যার কারণে মহাসাগরে পানির প্রবাহ নাটকীয়ভাবে হ্রাস পাচ্ছে। এই গভীর সমুদ্রের স্রোতগুলো বিশ্বকে প্রয়োজনীয় তাপ, অক্সিজেন, কার্বন ও পুষ্টি সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

 

তবে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে দিয়েছেন, এভাবে বরফ গলে গেলে ২০৫০ সালের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই পানির প্রবাহ ৪০ শতাংশ বন্ধ হয়ে যাবে। নেচার জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, এমনটা হলে বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণে মহাসাগরের ক্ষমতা কমে যাবে। 

এতে পরিবেশে গ্যাসের পরিমাণ বাড়বে। বিভিন্ন অঞ্চলে সমুদ্রের বরফের স্তরে অস্থিতিশীলতা দেখা দেবে। এছাড়া উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে গভীর স্রোতের ধীরগতি ইউরোপকে আরও শীতল করবে।  

এছাড়া, হিমবাহ গলে যাওয়া মিঠা পানি সমুদ্রের সঙ্গে মিশে যাবে এবং সমুদ্রের পানির লবণাক্তটা হ্রাস পাবে। সামুদ্রিক জীব বৈচিত্র্য ও খাদ্য শৃঙ্খলা ধ্বংস হয়ে যাবে। সারা বিশ্বে বৃষ্টি বাড়বে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতাও বাড়বে।