মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৩:২০:৫৩ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

তেলে ভাজা খাবার বন্ধ করে শরীরে যেসব প্রভাব পড়বে

তেলে ভাজা খাবার বন্ধ করে শরীরে যেসব প্রভাব পড়বে

সর্ষের তেলের চেয়ে রিফাইন্ড বা পরিশোধিত তেল বেশি ক্ষতিকর বলা হয়। অথচ সব রকম ভাজাপোড়ার জন্য এই সাদা তেলই ব্যবহার করা হয়। এই ধরনের খাবার মাসখানেক না খেলে শরীরে কেমন প্রভাব পড়বে?

বাঙালি রান্না মানে তার মধ্যে তেল থাকবেই। লবণ, ঝাল ও  কাঁচা সর্ষের তেল ছাড়া সেদ্ধ খাবারও খেতে পারেন না অনেকে। আবার স্বাস্থ্য সচেতনেরা সালাদ খেলেও ওপরে একটু অলিভ অয়েল ছড়িয়ে দেন। চিকিৎসক থেকে পুষ্টিবিদ সকলেই বলেন, দিনে ৪ থেকে ৫ টেবিল চামচের বেশি তেল না খেতে। কিন্তু সে সীমা প্রায় প্রতিদিনই পেরিয়ে যায়।

সপ্তাহাজুড়ে পরোটা, মাছ, তেলে ভরা মাংসের ঝোল— ফলে সমস্যা বাড়তেই থাকে। অনেকেই মনে করেন, সর্ষের তেলের চেয়ে রিফাইন্ড বা পরিশোধিত তেল বেশি ক্ষতিকর। সেই কথা ভেবে হঠাৎ যদি মাসখানেকের জন্য ভাজাপোড়া খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া যায়, সে ক্ষেত্রে শরীরে কী কী পরিবর্তন আসতে পারে?

হৃদযন্ত্র
যে সব তেলে ট্রান্স ফ্যাট ও স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি, সেই তেল নিয়মিত খেলে হৃদযন্ত্রের সমস্যা বাড়তে বাধ্য। তাই এক মাস টানা তেল খাওয়া বন্ধ রাখলে কোলেস্টেরল-সহ হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি এড়ানো যায়।

ওজন
ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে শরীরচর্চার পাশাপাশি ক্যালোরির দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন। সারা সপ্তাহ ভাত, রুটি বন্ধ করে যদি সপ্তাহাজুড়ে অনেকটা ভাজা খাবার খান, তাতে লাভ কিছুই হবে না। কারণ পরিশোধিত তেলে ক্যালোরির পরিমাণ অনেকটাই বেশি।


রক্তে শর্করার মাত্রা
মিষ্টিজাতীয় খাবার খান না। তাই ভাজা খাবার খেলে রক্তে শর্করার মাত্রায় কোনও প্রভাব পড়বে না, এমনটা ভেবে নেন অনেকেই। পরিশোধিত তেল খাওয়া বন্ধ করলে হঠাৎ পরিবর্তন আসবে না। তবে ধীরে ধীরে রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসবে।


ত্বকের স্বাস্থ্য
বাইরে থেকে প্রসাধনী ব্যবহার করে ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখা যায় কিছু সময়ের জন্য। কিন্তু ভেতর থেকে ত্বক স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তুলতে গেলে প্রদাহ বা ইনফ্ল্যামেশন হতে দেওয়া চলবে না। সেক্ষেত্রে তেল খাওয়া বন্ধ করা জরুরি।

হজমের উন্নতি
সাধারণ বাড়ির খাবার খেয়ে বদহজম হচ্ছে। এদিকে রাস্তায়, অফিসে যে জমিয়ে চপ-শিঙাড়া খেয়েছেন, সে কথা ভুলেই গিয়েছেন। হজমের ওষুধ খেলে অম্লতা-অ্যাসিডিটি কমবে। কিন্তু এই ধরনের ওষুধ তো নিয়মিত খাওয়া ঠিক নয়। তাই পুষ্টিবিদেরা বলছেন, তেল বাদ দিতে হবে। তা হলেই হজমে উন্নতি হবে।