মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০২:৩৭:৩৫ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

আসছে করোনার চেয়েও সাত গুণ ভয়ংকর

আসছে করোনার চেয়েও সাত গুণ ভয়ংকর

করোনা ভাইরাসের বিদায়ে অনেকেই হয়তো স্বস্তি পেয়েছেন। কিন্তু সামনে আরও ভয়ংকর দিন আসছে বলে এক ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন। কারণ একটি ভয়ংকর রোগ আসছে। এর নাম ‘ডিজিজ এক্স’। এটা খুবই বিপজ্জনক। করোনা ভাইরাসের চেয়েও সাত গুণ ভয়ংকর। এতে প্রায় ৫ কোটি মানুষের মৃত্যু হতে পারে। এমনটাই দাবি করেছেন ব্রিটেনের ভ্যাকসিন টাস্ক ফোর্সের প্রধান ডেম কেট বিংহাম।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডেম কেট বিংহাম জানিয়েছেন, কোভিডের চেয়ে সাত গুণ বেশি শক্তিশালী ‘ডিজিজ এক্স’। স্বাভাবিকভাবে অনেক বেশি মারাত্মকও বটে। ফলে করোনার পর সম্ভাব্য মহামারির আকার নিতে চলেছে এই ‘ডিজিজ এক্স’ই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে সতর্ক করে বলেছে, সামনেই আসছে এই মারণব্যাধি। শুধু তাই নয়। বিংহামের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এই ভাইরাসটি নতুন নয়। আগে থেকেই পরিবেশে এর অস্তিত্ব ছিল। তবে প্রতিনিয়ত মিউটেট করায় এর শক্তিও বেড়েছে।

এই ভাইরাস ঠিক কতটা বিধ্বংসী, তা বোঝাতে গিয়ে ১৯১৮-১৯-এর ফ্লু মহামারির প্রসঙ্গ টেনেছেন ব্রিটেনের এই বিশেষজ্ঞ। ফ্লুতে মারা গিয়েছিল ৫ কোটিরও বেশি মানুষ। বিংহাম বলছেন, পরিবেশেই আছে এমন অনেক ভাইরাসের মধ্যে যে কোনো একটি এমন মারণ রূপ ধারণ করতে পারে। কারণ প্রতিটি ভাইরাসই মিউটেট করে চলেছে। তবে সবগুলো বিপজ্জনক নয়। কয়েকটি নিয়েই চিন্তা। তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে তারা ২৫টি ভাইরাস পরিবারের গতিবিধি পরীক্ষা করছেন। এদের প্রতিটিতে হাজার হাজার পৃথক পৃথক ভাইরাস রয়েছে। যে কোনো একটি থেকে পরবর্তী মহামারির সূচনা হতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, করোনায় মৃতের সংখ্যা ৭০ লাখ ছাড়িয়েছে।—এনডিটিভি