সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৬:৪৮:৪৯ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

চুক্তি না হলে ইরানের জন্য ‘খুব খারাপ সময়’ অপেক্ষা করছে

চুক্তি না হলে ইরানের জন্য ‘খুব খারাপ সময়’ অপেক্ষা করছে

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার আবহে আবারও ইরানকে কড়া বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, দ্রুত শান্তিচুক্তির পথে অগ্রগতি না হলে তেহরানকে কঠিন পরিণতির মুখোমুখি হতে হতে পারে।

 

ফরাসি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, একটি স্থায়ী সমঝোতা শুধু যুক্তরাষ্ট্রের নয়, ইরানের নিজের স্বার্থেও জরুরি। তার ভাষায়, আলোচনা ব্যর্থ হলে সামনে “খুব খারাপ সময়” অপেক্ষা করছে।

 

এমন মন্তব্যের কিছুক্ষণ আগেই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানান, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে নতুন করে আলোচনায় বসার আগ্রহ জানিয়ে তেহরানে বার্তা পাঠানো হয়েছে। তবে অতীত অভিজ্ঞতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আস্থাহীনতা এখনো কাটেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

তেহরানের অভিযোগ, অতীতে পারমাণবিক আলোচনা চলাকালেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সামরিক হামলা চালিয়ে কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। ফলে নতুন করে যেকোনো আলোচনায় ইরান এখন অনেক বেশি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

 

এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরে সম্ভাব্য নতুন পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা চলছে। সামরিক বিকল্পসহ বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। যদিও এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

 

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মহলের নজর রয়েছে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে। বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথ চালু রাখতে বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারী দেশ ইরানের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, তেহরান যদি কূটনৈতিক চাপের মুখে প্রণালি খুলে দেয়, তবে সেটিকে বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরতে চাইবে ওয়াশিংটন।