বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০১:৩৬:২৩ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

যুদ্ধ সত্ত্বেও শস্য চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়েছে রাশিয়া ও ইউক্রেন

যুদ্ধ সত্ত্বেও শস্য চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়েছে রাশিয়া ও ইউক্রেন

রাশিয়া ও ইউক্রেন কৃষ্ণ সাগর দিয়ে শস্য রপ্তানির চুক্তির মেয়াদ দুই মাস বাড়ানোর ব্যাপারে বুধবার সম্মত হয়েছে। এ দুই দেশের মধ্যে প্রচন্ড লড়াই অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও তারা এমন পদক্ষেপ গ্রহণ করে সহযোগিতার একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ স্থাপন করলো। খবর এএফপি’র।

জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র এ শস্য চুক্তিকে স্বাগত জানানো সত্ত্বেও তারা রপ্তানির বিষয় আরও নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে কারণ, রাশিয়া এ চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে। চুক্তিটি বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিয়েভে চীনের বিশেষ দূতের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সময় এই চুক্তির বিষয়টি আসে এবং তিনি জোরদিয়ে বলেন, যুদ্ধ বিধ্বস্ত এ দেশ ভূখণ্ড ছেড়ে দিতে হয় এমন কোনো শান্তি চুক্তি গ্রহণ করবে না।

মস্কোর ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশ চীন এখন পর্যন্ত রাশিয়ার আগ্রাসনের প্রকাশ্যে নিন্দা করেনি। চীনের দূত লি হুই এ সংঘাত নিরসনে বেইজিং নেতৃত্বাধীন আলোচনাকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।


তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এ শস্য চুক্তির মেয়াদ দুই মাস বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, রাশিয়া ইউক্রেনের দু’টি বন্দর থেকে ছেড়ে যাওয়া জাহাজগুলো না আটকানোর ব্যাপারে সম্মত হয়েছে।

জাতিসংঘ মহাসসিচব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেন, ‘এই চুক্তি বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, রাশিয়া ও ইউক্রেনের বিভিন্ন খাদ্য পণ্য বিশ্বব্যাপী রপ্তানি করা হয়ে থাকে।’