মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৩:২৩:০০ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

মাঠে থেকেই ষড়যন্ত্র মোকাবিলার সিদ্ধান্ত বিএনপির

মাঠে থেকেই ষড়যন্ত্র মোকাবিলার সিদ্ধান্ত বিএনপির

সংসদ নির্বাচন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের গড়িমসিসহ বিভিন্ন ষড়যন্ত্র মাঠ থেকেই মোকাবিলা করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। দলটির মতে, গণপরিষদ নির্বাচন, সেকেন্ড রিপাবলিক ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবি তুলে জাতীয় নির্বাচনকে বিলম্বিত করার চেষ্টা চলছে, যার পেছনে সরকারের একাধিক উপদেষ্টার হাত রয়েছে। সোমবার রাতে দলের স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
 

বৈঠকে নেতারা উল্লেখ করেন, সরকার বিএনপি ও অন্যান্য গণতান্ত্রিক দলকে রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে গুরুত্ব দিচ্ছে না। বরং একটি ইসলামী দল, তরুণদের জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সংগঠনগুলোকেই রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। তারা সহজে ক্ষমতা ছাড়বে না বা নির্বাচন দেবে না বলেও মনে করা হচ্ছে।
 

সূত্র জানায়, বৈঠকে একাধিক নেতা মত প্রকাশ করেন যে সরকার এনজিওদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে এবং নির্বাচনের জন্য সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা জরুরি। ইতোমধ্যে বিএনপি বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে সমাবেশের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানান দিয়েছে, যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখা হবে। ঈদের পর নির্বাচনের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
 

বৈঠকে আরও বলা হয়, একটি বিশেষ গোষ্ঠী অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণের চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে এবং তারা দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়। এই ষড়যন্ত্রে সরকারের ভেতরের কিছু লোকও জড়িত, যা সরকারপ্রধানকে প্রকৃত অবস্থা অনুধাবন করতে বাধা দিচ্ছে। ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর কিছু ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানও এই ষড়যন্ত্রে সহায়তা করছে। অনেক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা থাকলেও তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না, বরং তারা সচিবালয়ে বসে সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।
 

বৈঠকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করেন। এতে অংশ নেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্যরা, যার মধ্যে ছিলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বেগম সেলিমা রহমান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।