সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৫:০৯:৪৪ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা

প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা

নিউজ ডেস্ক, ঢাকা প্রেস


দেশে প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ নিয়ে গণসাক্ষরতা অভিযান আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৪ থেকে ১৩ বছর বয়সী শিশুদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ধাপে ধাপে প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর আগে দেশের ৭২৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম চালু থাকলেও অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছিল।
 

শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশাসনিক জটিলতার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন ববি হাজ্জাজ। তিনি জানান, একটি মামলার কারণে ছয় হাজারের বেশি শিক্ষক এবং আরেক মামলায় ৩২ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে আছে। এছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া ১৪ হাজার নতুন শিক্ষকের নিয়োগ পরীক্ষার প্রক্রিয়াও এখনো পুরোপুরি যাচাই-বাছাই শেষ না হওয়ায় তাদের নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
 

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষা খাতে কার্যকর সংস্কারের জন্য একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, “শুধু নীতিমালা প্রণয়ন করলেই হবে না, প্রায় চার লাখ শিক্ষককে এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। সবার মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা না গেলে কাঙ্ক্ষিত স্থিতিশীলতা আসবে না।”