বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৩:২৭:২৫ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

পাকিস্তানের রিজার্ভ কমে ৪২০ কোটি ডলারে

পাকিস্তানের রিজার্ভ কমে ৪২০ কোটি ডলারে

পাকিস্তান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে এখন ৪২০ কোটি (৪ দশমিক ২ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের তলানিতে দাঁড়িয়েছে। ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারির পর দেশটিতে রিজার্ভ সর্বনিম্নে নেমে যাওয়ার ঘটনা এই প্রথম। সম্প্রতি পাকিস্তানের কিছু ঋণ পরিশোধ করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরপরই রিজার্ভের এ অবস্থার কথা জানাল দ্য স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান (এসবিপি)।

 

ব্যাংকটি সম্প্রতি এক বিবৃতিতে বলেছে, শেষ হওয়া সপ্তাহে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের কারণে তাদের রিজার্ভ ৩৫৪ মিলিয়ন কমে এখন ৪২০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। চীন, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছ থেকে আরও সহায়তার আশ্বাস পাওয়ায় দেশটি বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের এই ব্যবস্থা নেয়। সাপ্তাহিক ভিত্তিতে পরপর ছয়বার বৃদ্ধির পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে রিজার্ভের এটিই প্রথম পতন। সামগ্রিক হিসেবে এটি মাত্র এক মাসের আমদানির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে। দেশটির মোট তরল বৈদেশিক রিজার্ভ ছিল ৯ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে আরো মোট ৫ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ আছে। তদুপরি, চীন গত সপ্তাহে পরিপক্ক হওয়া ২ বিলিয়ন ঋণের জন্য পাকিস্তানের অনুরোধে কাজ করছে। পাকিস্তান নতুন জ্বালানি ভর্তুকি ঘোষণা করার পর আলোচনা অব্যাহত থাকলেও সমালোচনার মুখে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) কর্মসূচি স্থগিত রেখেছে।

 

এ অবস্থা থেকে উদ্ধারে এখন পাকিস্তানকে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের দিকে। আইএমএফ ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে পাকিস্তানকে। আইএমএফের সঙ্গে চুক্তিতে বিলম্ব ঘটায় অর্থনীতি বিশেষ করে রুপির ওপর প্রভাব পড়েছে। এছাড়া যেসব দেশের সঙ্গে দারুণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক রয়েছে, তাদের কাছ থেকেও আর্থিক সহায়তার জন্য কাজ করে যাচ্ছে ইসলামাবাদ।