সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৫:১২:৩২ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

শিক্ষণ ছাড়া ক্লাস নিতে পারবেন না শিক্ষকরা

শিক্ষণ ছাড়া ক্লাস নিতে পারবেন না শিক্ষকরা

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদানের মান উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ সম্পন্ন না করলে কোনো শিক্ষককে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করতে দেওয়া হবে না।

 

বৃহস্পতিবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘সরকারের অগ্রাধিকার ও শিক্ষা খাত: বাজেট ও বাস্তবতা’ শীর্ষক এক নাগরিক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের নাগরিক প্ল্যাটফর্ম এই সংলাপের আয়োজন করে।

 

শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকদের ক্লাসে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে কার্যকর করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক আন্দোলন করেছেন। তবে সরকার তার অবস্থানে অটল রয়েছে। তিনি জানান, প্রশিক্ষণ শেষ করে শিক্ষকেরা চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে আবার শ্রেণিকক্ষে ফিরবেন।

 

শিক্ষা খাতের বর্তমান পরিস্থিতিকে দুর্বল উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত কয়েক বছরে এ খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সরকার এখন তা পুনর্গঠনের কাজ করছে।

 

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তদারকির জন্য একটি নিয়ন্ত্রক বোর্ড গঠনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এ বিষয়ে আগামী ১৪ মে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু হবে।

 

তিনি আরও জানান, দেশের প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনে জরুরি সংস্কার প্রয়োজন। কিছু ভবন এতটাই নাজুক যে সেগুলো নতুন করে নির্মাণ ছাড়া উপায় নেই।

 

শুধু অবকাঠামো নয়, শিক্ষাদানের পদ্ধতির সঙ্গেও ভবনের নকশা সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

 

জাতীয় শিক্ষাক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি সমমানের শিক্ষাক্রম প্রণয়নের কাজ চলছে, যা আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের জন্য টেকসই কর্মপরিকল্পনা হিসেবে তৈরি করা হবে। এটি আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে জনসাধারণের জন্য প্রকাশ করা হতে পারে। এ প্রক্রিয়ায় সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সমন্বয় থাকবে।

 

এছাড়া ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোকে প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আনার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।