বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৪:২৭:৩৯ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

১৯ শিশুর মৃত্যু পশ্চিমবঙ্গে অ্যাডিনো ভাইরাসের থাবা

১৯ শিশুর মৃত্যু পশ্চিমবঙ্গে অ্যাডিনো ভাইরাসের থাবা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অ্যাডিনোভাইরাসে এ পর্যন্ত ১৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছে আরও ১২ হাজারের বেশি শিশু। এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম উইঅন।

 

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, ২টি এডিনোভাইরাসের মিউটেশনের ফলে সৃষ্ট নতুন ধরনের কারণে এতো শিশু আক্রান্ত হচ্ছে এবং মারা যাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটক রাজ্যেও এ ভাইরাসের সংক্রমণের বিষয়ে জানা গেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিশুর মৃতের সংখ্যা ১০০ এরও বেশি।

ভাইরাসটি মানবদেহে প্রবেশ করে নিঃশ্বাসের মাধ্যমে, যা আক্রান্ত ব্যক্তির চোখ ও ফুসফুসে ছড়িয়ে যায়। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে অ্যডিনোভাইরাসের যে ধরন ছড়াচ্ছে, সেটি ভাইরাসটির দুটি স্ট্রেনের মিশ্রণের ফলে তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

ভারতের ডাক্তারদের সংগঠন দ্য অ্যাসোসিয়েশন অব হেলথ সার্ভিস ডক্টরস সতর্ক করে জানিয়েছে, মৃত ও আক্রান্তের আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান থেকে বাস্তবচিত্র আরও অনেক ভয়াবহ হতে পারে। কিছু হাসপাতাল জানিয়েছে তাদের শিশু ওয়ার্ড পূর্ণ হয়ে গেছে এবং অনেক শিশুকে অন্য শিশুর সঙ্গে হাসপাতালের শয্যা ভা করে নিতে হচ্ছে।

 

বাড়তে থাকা সংক্রমণের মোকাবিলায় স্থানীয় সরকার বিশেষ হেল্পলাইন চালু করেছে। স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ বিভাগ স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ছুটি বাতিল করেছে। এছাড়াও, ক্লিনিকগুলোকে দিনে ২৪ ঘণ্টা ও সপ্তাহে ৭ দিন খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।