বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০২:২৬:৪৯ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ মিয়ানমারে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ১ কোটি ৭০ লাখ মানুষ

ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ মিয়ানমারে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ১ কোটি ৭০ লাখ মানুষ

ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’র প্রভাবে পার্শবর্তী দেশ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য ছাড়াও চিন, শান রাজ্য এবং সাগাইং, ম্যাগওয়ে, বাগো ও মান্দালয় অঞ্চলের এক কোটি ৭০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)।

ডব্লিউএফপি’র অ্যাডভান্সড ডিজাস্টার অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ম্যাপিং (এডিএএম) বিভাগের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের বেশকিছু অঞ্চলে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার, ৯০ কিলোমিটার এবং ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১২০ কিলোমিটার বেগে যেসব শহর ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সেগুলোর বেশিরভাগই রাখাইন, চিন রাজ্য ও সাগাইং অঞ্চলের অংশ। এসব অঞ্চলের ১৫ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করছে ডব্লিউএফপি।


জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার (ইউএনএইচসিআর) জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ রোববার বিকেলের দিকে রাখাইনে আঘাত হানবে। স্থানীয়দের সুরক্ষা নিশ্চিতে মাঠ পর্যায়ের প্রস্তুতি নিতে তাগিদ দিয়েছে। প্রয়োজনে পরিকল্পনা করে জরুরিভিত্তিতে সহায়তার আহ্বানও জানানো হয়।

অপরদিকে, দেশটির জান্তা সরকার ও স্থানীয় নানা গ্রুপ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে মনিটরিং করে যাচ্ছে। জরুরি ত্রাণসামগ্রী সংরক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে অল্প সময়ের মধ্যে বিতরণ করা যায়।

ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, মিয়ানমারের বিভিন্ন অঞ্চলে জাহাজ ও সড়কপথে গাড়ির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রয়োজনে সেগুলো ব্যবহার করা হবে।