শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০১:৪০:৩৭ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

আইনশৃঙ্খলা ও মানবাধিকার সংস্কারে চাপে অন্তর্বর্তী সরকার: এইচআরডব্লিউ

আইনশৃঙ্খলা ও মানবাধিকার সংস্কারে চাপে অন্তর্বর্তী সরকার: এইচআরডব্লিউ

বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিশ্রুত মানবাধিকার সংস্কার বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকার হিমশিম খাচ্ছে—এমন পর্যবেক্ষণ উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) বার্ষিক প্রতিবেদনে।
 

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বিগত শেখ হাসিনা সরকারের আমলে গড়ে ওঠা গুমের সংস্কৃতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তবে রাজনৈতিক বিবেচনায় গণগ্রেফতারের ঘটনা এখনও উদ্বেগজনক। হাজারো মানুষ রাজনৈতিক কারণে আটক হয়েছেন, যাদের অনেকেই বিচার ছাড়াই দীর্ঘদিন কারাবন্দি রয়েছেন। এ ছাড়া বহু ক্ষেত্রে জামিন আবেদন নাকচ করার অভিযোগও উঠে এসেছে।
 

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, আটক ব্যক্তিদের তালিকায় কেবল রাজনীতিবিদ নয়—অভিনয়শিল্পী, আইনজীবী ও সঙ্গীতশিল্পীর মতো পেশাজীবীরাও রয়েছেন। বিভিন্ন মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে হাজার হাজার মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টিও প্রতিবেদনে উদ্বেগের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে।
 

মব সহিংসতার বৃদ্ধি অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছে এইচআরডব্লিউ। সংস্থাটির তথ্যমতে, ২০২৪ সালের জুন থেকে গত বছরের আগস্ট পর্যন্ত সময়ে মব সহিংসতায় অন্তত ১২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
 

এ ছাড়া প্রতিবেদনে নারী নির্যাতন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা, নতুন করে রোহিঙ্গা শরণার্থীর প্রবেশ এবং বৈদেশিক সহায়তা কমে যাওয়ার ফলে দেশের মানবিক পরিস্থিতির অবনতির কথাও উল্লেখ করা হয়।