সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৬:০১:৫৪ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

কর্মচারীর ছুরিকাঘাতে ইবি শিক্ষিকা নিহত, নেপথ্যে কী?

কর্মচারীর ছুরিকাঘাতে ইবি শিক্ষিকা নিহত, নেপথ্যে কী?

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, বিভাগের এক কর্মচারী ফজলুর রহমান তাকে ছুরিকাঘাত করেন। পরে অভিযুক্ত নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এ ঘটনার পর দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং কেন এই হত্যাকাণ্ড ঘটল তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

 

ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা, সিআইডি ও র‍্যাবের সদস্যরা। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বদলি সংক্রান্ত ক্ষোভ থেকেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।

 

জানা গেছে, বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল প্রায় ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনে অবস্থিত সমাজকল্যাণ বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। সেখানে আসমা সাদিয়া রুনাকে ছুরিকাঘাত করা হয়।

 

খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিক্ষিকা ও অভিযুক্ত কর্মচারীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে নেয়। পরে গুরুতর অবস্থায় তাদের কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসক আসমা সাদিয়া রুনাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর শাহিনুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় শিক্ষিকা মেঝেতে পড়ে আছেন এবং তার মুখ ওড়না দিয়ে ঢাকা। একই সময় ফজলুর রহমানও রক্তাক্ত অবস্থায় সেখানে ছিলেন। পরে পুলিশ এসে দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।