বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৬:২৬:১১ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

কুমিল্লায় মসলার মিলে ভোক্তার অভিযান, জরিমানা

কুমিল্লায় মসলার মিলে ভোক্তার অভিযান, জরিমানা

কুমিল্লা সদর উপজেলার বাখরাবাদ ও কুচাইতলীতে মসলার মিল ও রেস্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে দুইটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ২ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। 

 

আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদ উপলক্ষে বাজার তদারকির অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

ভোক্তা অধিদপ্তর জানায়, তাদের অভিযানকালে বাখরাবাদ এলাকার একটি মসলার মিলে তদারকি করে দেখা যায়, ভালো মানের মরিচের সঙ্গে অধিক পরিমাণ নষ্ট ও পোকায় খাওয়া মরিচ মিশিয়ে গুঁড়া করা হচ্ছে। এছাড়া অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নোংরা ফ্লোরে মরিচ ও হলুদের গুঁড়া সংরক্ষণ ও ক্রাশিং করার প্রমাণ পাওয়া যায়। এ অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুযায়ী আল-আমিন ফুড গ্রেইন মসলার মিলকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

 

এছাড়া একই অভিযানে বাখরাবাদ এলাকার বাখরাবাদ মাটির হাঁড়ি নামের একটি রেস্টুরেন্টে বাসি খামির সংরক্ষণ এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুতের দায়ে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

 

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়ার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. জুয়েল মিয়া, স্যাম্পল কালেক্টর মো. নাজমুস সাকিব ও অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে জেলা পুলিশের একটি টিম।

 

ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া জানান, ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্য উৎপাদন ও বিক্রি প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।