রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০২:১৩:৩২ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• বাঙ্গরা উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রথম মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠার আহ্বান •       • কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০, ছয়জনের পরিচয় শনাক্ত •       • অভিযানেও থামছে না অবৈধ অটোরিকশা, ডাম্পিং এড়াতে আরও বেপরোয়া চালকরা •       • মুরাদনগরে ২৮ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার •       • অর্থাভাবে থমকে থাকা চোখে আলোর পরশ: মুরাদনগরে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন ৩০০ মানুষ •       • মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •       • জীবনের পরম তৃপ্তি ও এক অদ্ভুত বাস্তবতা: নাজমুল হাসান সরকার সহকারী সচিব •       • ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •

কুড়িগ্রামে ব্রিজের অভাবে ৮ বছর ধরে ৪ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

কুড়িগ্রামে ব্রিজের অভাবে ৮ বছর ধরে ৪ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:-


 

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের মেকলী ও ছাটকালুয়া গ্রামের মানুষদের জন্য দীর্ঘ ৮ বছর ধরে এক কটি ব্রিজের অভাব বিপদসীমায় পরিণত হয়েছে। ২০১৭ সালের ভয়াবহ বন্যার সময় ব্রিজটির নিচের অংশের মাটি ধসের সঙ্গে ভেঙে গেলে গ্রামবাসী নিজস্ব উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো বানিয়ে পারাপার চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু দীর্ঘ সময়ের ব্যবহারে সেই সাঁকোও এখন ভেঙে পড়েছে, ফলে শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় চার গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ এখন চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন।

 

কুড়িগ্রামে ব্রিজের অভাবে ৮ বছর ধরে ৪ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ


 

সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রিজের বেশিরভাগ অংশ ঝুঁকে পড়েছে এবং সামান্য অংশই এখনো টিকে আছে। ঝুঁকিপূর্ণ এই ব্রিজ পারাপারের জন্য স্থানীয়রা ঝুঁকি নিয়ে হাঁটছেন, আবার কেউ কেউ নিরাপদ পথে পৌঁছাতে কয়েক কিলোমিটার ঘুরে যাচ্ছেন। স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা কলা গাছের ভেলায় বা সাঁতরে নদী পাড়ি দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

 

কুড়িগ্রামে ব্রিজের অভাবে ৮ বছর ধরে ৪ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ — ছবি ২


 

স্থানীয় আবুল হোসেন বলেন, “ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ার পর আমরা ড্রামের ওপর বাঁশের সাঁকো বানিয়েছিলাম। কিন্তু এখন সেটা ভেঙে গেছে, তাই মানুষকে অনেক ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হতে হয়।”

 

কুড়িগ্রামে ব্রিজের অভাবে ৮ বছর ধরে ৪ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ — ছবি ৩



অন্য এক ভুক্তভোগী আব্দুল জলিল বলেন, “আট বছর পার হলেও ব্রিজটি এখনও সংস্কার হয়নি। আমাদের কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া করা যাচ্ছে না, স্কুলগামী শিশুরাও যেতে পারছে না।”


জমিলা বেগম নামের এক নারী জানান, “ব্রিজ না থাকায় ছেলে-মেয়েরা স্কুলে যেতে পারছে না। আমরা খুব সমস্যায় রয়েছি।”

 

কুড়িগ্রাম স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইউনুস আলী বিশ্বাস জানিয়েছেন, “৪০ মিটার দৈর্ঘ্যের ক্ষতিগ্রস্ত ব্রিজটি সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হবে।”
 

গ্রামবাসীর দীর্ঘ আট বছরের দুর্ভোগ শেষ হবে কিনা, সেটাই এখন দেখার বিষয়।