বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০১:৫৩:৩৭ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

এবার বন্ধ হয়ে গেল চট্টগ্রামের ডিএপি সার কারখানা

এবার বন্ধ হয়ে গেল চট্টগ্রামের ডিএপি সার কারখানা

কাঁচামাল অ্যামোনিয়ার তীব্র সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র ডিএপি সার কারখানা-এর উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেল। শনিবার (১৯ এপ্রিল) রাত আটটার দিকে উৎপাদন কার্যক্রম পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়ে।

 

জানা গেছে, পার্শ্ববর্তী দুই সার কারখানা চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) ও কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে সরবরাহ করা অ্যামোনিয়া নিয়ে ডিএপি কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তবে গত ৪ মার্চ গ্যাস–সংকটের কারণে সিইউএফএল ও কাফকোতে অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

 

ফলে দুটি কারখানা থেকে ডিএপি সার কারখানায়ও অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুত থাকা অ্যামোনিয়া দিয়ে প্রায় দেড় মাস উৎপাদন অব্যাহত রাখে ডিএপি সার কারখানা। মজুত শেষ হওয়ায় গতকাল রাতে কারখানার উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

 

অ্যামোনিয়া সংকটে বন্ধ হয়ে যাওয়া চট্টগ্রামের তৃতীয় সার কারখানা এটি। এর আগে ৪ মার্চ চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) ও কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।

 

ডিএপি সার কারখানাটি নিয়ন্ত্রণ করে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)। এ কারখানা দেশের কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছিল। দেশের কৃষি খাতে যৌগিক সারের (নাইট্রোজেন ও ফসফরাস–সংবলিত) চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে সরকার কারখানাটি স্থাপন করে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটিতে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়। ওই কারখানার দুটি ইউনিটের প্রতিটিতে ৮০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদনের ক্ষমতা রয়েছে।