সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৮:২০:০১ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

বাদানুবাদের জেরে জার্মানি থেকে সেনা কমানোর ইঙ্গিত ট্রাম্পের

বাদানুবাদের জেরে জার্মানি থেকে সেনা কমানোর ইঙ্গিত ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

 

জার্মান চ্যান্সেলর Friedrich Merz-এর সঙ্গে কথার লড়াইয়ের পর জার্মানিতে মোতায়েন মার্কিন সেনা কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump। ইরান ইস্যুতে দুই নেতার মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
 

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, জার্মানিতে অবস্থানরত মার্কিন সেনা সংখ্যা কমানোর বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
 

Congressional Research Service-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে জার্মানিতে ৩৫ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল। তবে জার্মান গণমাধ্যমের দাবি, বর্তমানে এই সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজারের কাছাকাছি।
 

জার্মানিসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সেনারা মূলত NATO জোটের প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইউরোপীয় মিত্রদের দূরত্ব বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
 

এর আগে ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ‘অপদস্থ’ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন জার্মান চ্যান্সেলর ম্যার্ৎস, যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তিনি পাল্টা বলেন, ম্যার্ৎস ইরান প্রসঙ্গে কী বলেছেন, সে বিষয়ে তিনি নিজেই নিশ্চিত নন।

 

এদিকে, ট্রাম্পের মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Marco Rubio জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী Johann Wadephul-এর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র Tommy Pigott জানান, আলোচনায় ইরান পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
 

তবে বুধবার বার্লিনে এক সংবাদ সম্মেলনে ম্যার্ৎস এই বিরোধকে হালকা করে দেখান। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জার্মানির সম্পর্ক এখনো বন্ধুত্বপূর্ণ রয়েছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্কও আগের মতোই ভালো আছে।
 

তিনি আরও জানান, শুরু থেকেই ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অবস্থান নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন। কারণ, এই সংঘাতের প্রভাব জার্মানিসহ পুরো ইউরোপে পড়ছে।