বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৬:০০:৩২ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

রঙিন শোভাযাত্রায় বান্দরবানে শুরু সাংগ্রাই উৎসব

রঙিন শোভাযাত্রায় বান্দরবানে শুরু সাংগ্রাই উৎসব

বান্দরবান প্রতিনিধি:


উৎসবমুখর পরিবেশে সাংগ্রাই উৎসব শুরু হয়েছে বান্দরবান-এ। বাংলা নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে আয়োজিত এই উৎসব ঘিরে পাহাড়জুড়ে বিরাজ করছে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস।

সোমবার সকালে রাজার মাঠ থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।

শোভাযাত্রায় বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ অংশ নেন। শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী নারী-পুরুষ নিজ নিজ ঐতিহ্যবাহী পোশাকে অংশগ্রহণ করায় পুরো আয়োজন হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও বর্ণিল।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী। এছাড়াও উৎসব উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

১৩ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী এ উৎসব চলবে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা, বৌদ্ধ ধর্মীয় স্নান, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং অন্যতম আকর্ষণ ‘মৈত্রী পানি বর্ষণ’ বা পানি উৎসব।

উৎসবকে ঘিরে শুধু মারমা সম্প্রদায় নয়, পার্বত্য অঞ্চলের অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে উৎসবের আমেজ। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা এখানে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন, যা স্থানীয় অর্থনীতি ও পর্যটন খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এই ঐতিহ্যবাহী উৎসব ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও পরিচিতি পাবে এবং বাংলাদেশের বহুমাত্রিক সংস্কৃতি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবে।