সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১০:০০:৩০ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

দুদকের মামলায় খালাস পেলেন মোসাদ্দেক আলী ফালু

দুদকের মামলায় খালাস পেলেন মোসাদ্দেক আলী ফালু

ঢাকা প্রেস-নিউজ ডেস্ক:-

 

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে করা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় খালাস পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মোসাদ্দেক আলী ফালু। রোববার (১৩ এপ্রিল) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।
 

রায়ে বিচারক বলেন, “রাষ্ট্রপক্ষ আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে। সম্পদ বিবরণী দাখিলের পরও যদি অবৈধ সম্পদ থাকতো, তাহলে তা রাষ্ট্রীয়ভাবে অবরুদ্ধ করা হতো, যা হয়নি। ফলে ফালুকে খালাস দেওয়া হলো।”
 

মামলার রায়ের সময় স্ত্রীসহ আদালতে উপস্থিত ছিলেন ফালু। রায় ঘোষণার পর তিনি হাসিমুখে নেতাকর্মীদের অভিনন্দন গ্রহণ করেন, তবে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।
 

২০০৭ সালের ৮ জুলাই মতিঝিল থানায় ফালুর বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করে দুদক। তদন্তে তার আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৪৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা এবং ১০ কোটি ৬০ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়।
 

২০১৮ সালের ২৭ আগস্ট আদালত মামলার অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন এবং ২০২৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
 

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত হন ফালু। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হওয়ায় ২০০৮ সালের নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় কারামুক্ত হন তিনি।