সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৫:৩৮:৩৫ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

জার্মান সেনাবাহিনীতে তীব্র সেনা সংকট

জার্মান সেনাবাহিনীতে তীব্র সেনা সংকট

অনলাইন ডেস্ক:-

 

জার্মান সরকার সামরিক বাহিনীর প্রসারের পরিকল্পনা করলেও, বুন্ডেসভেয়ারে বর্তমানে তীব্র সেনা সংকট চলছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বুন্ডেসভেয়ারের অনেক পদ এখনও শূন্য রয়েছে।
 

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের শেষে জার্মান মিলিটারি’র নিচের র‍্যাংকগুলোর মধ্যে ২৮ শতাংশ পদ খালি থাকতে পারে। পাশাপাশি, বছরের শেষে ২০ শতাংশ পদ শূন্য থাকতে পারে, যখন পদোন্নতি দেওয়া হবে। তবে, উপরের র‍্যাংকগুলো তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে রয়েছে।
 

এই সংকট মোকাবিলা করতে প্রতিরক্ষা কমিশনার এফা হ্যোগল একটি নতুন পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মনে করেন, মিলিটারি প্রশিক্ষণ এবং আবশ্যক সুযোগ-সুবিধা এখনও পর্যাপ্ত নয়।
 

বর্তমানে জার্মান সশস্ত্র বাহিনীতে ১ লাখ ৮১ হাজার সৈন্য রয়েছে। দায়িত্বশীলরা বলছেন, ২০১১ সালে স্থগিত হওয়া পুরুষদের জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ পুনরায় চালু করা প্রয়োজন। তবে, এফা হ্যোগল মনে করেন, কেবল এই ব্যবস্থা পুনর্বহাল করলেই যথেষ্ট হবে না, বরং বুন্ডেসভেয়ারের সামর্থ্য অনুযায়ী আরও বেশি পদক্ষেপ নিতে হবে।
 

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে, রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণ আক্রমণ শুরু করার পর, জার্মানি বড় আকারে পুনঃসশস্ত্রীকরণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপড়েন এবং বিশ্ব পরিস্থিতি বিবেচনায় বার্লিনের প্রতিরক্ষা নীতিতে পরিবর্তন আরও জরুরি হয়ে উঠেছে।
 

এদিকে, সিডিইউ/সিএসইউ জোট ও এসপিডি জার্মানির পরবর্তী সরকার গঠন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তারা বর্তমানে দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার, পরিকাঠামো এবং প্রতিরক্ষা খাতে বিশেষ মনোযোগ দিচ্ছে।