শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০১:০৮:০৫ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

নোয়াখালী জেলা আ.লীগ কার্যালয়ে তালা ভেঙে বিক্ষোভ, আটক ৫

নোয়াখালী জেলা আ.লীগ কার্যালয়ে তালা ভেঙে বিক্ষোভ, আটক ৫

আজিজুর রহমান, নোয়াখালী:

 

নোয়াখালীর মাইজদীতে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে বিক্ষোভ করেছেন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের একদল নেতা-কর্মী। এ ঘটনায় পুলিশ পাঁচজনকে আটক করেছে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে শহরের টাউন হল মোড় এলাকায় অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল দিকে প্রায় ৩০-৩৫ জন নেতা-কর্মী কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা মূল ফটকের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে একটি ব্যানার টাঙিয়ে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভ প্রচার করে চলে যান।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৭ মাস ধরে কার্যালয়টি তালাবদ্ধ ছিল।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অবস্থান নেয় এবং অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করে। আটক ব্যক্তিরা হলেন— মো. সফিকুল ইসলাম নাজিম (৪৩), মো. কাউছার হামিদ (৩৮), মো. জিয়াউল রহমান রাজ (৪৮), মো. আবু সাঈদ (৫৫) ও বিদ্যুৎ রঞ্জন পাল (৪৯)।

নোয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, ভোরে একদল ব্যক্তি দলীয় কার্যালয়ের তালা ভেঙে প্রবেশ করে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে এবং জড়িত অন্যদের শনাক্তে অভিযান চলছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় কার্যালয়টিতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে কার্যালয়ের প্রধান ফটক বন্ধ ছিল।