সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৬:৪৭:৪১ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

ইরান অভিযানে ইরাকের মরুভূমিতে গোপন ঘাঁটি ব্যবহার করেছিল ইসরায়েল

ইরান অভিযানে ইরাকের মরুভূমিতে গোপন ঘাঁটি ব্যবহার করেছিল ইসরায়েল

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের সময় ইরাকের মরুভূমি অঞ্চলে গোপনে একটি সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছিল ইসরায়েলি বাহিনী। যুদ্ধ চলাকালে ওই ঘাঁটি প্রায় শনাক্ত করে ফেলেছিল ইরাকের নিরাপত্তা বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তখন ইসরায়েলি সেনারা পাল্টা বিমান হামলাও চালায় বলে জানা গেছে।

 

মার্কিন কয়েকজন কর্মকর্তা এবং ঘটনাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের বরাতে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এ তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্রের অবগতির মধ্যেই ইসরায়েল ইরাকের মরুভূমিতে ওই গোপন ঘাঁটি তৈরি করে। সেখানে বিশেষ বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন রাখা হয়েছিল এবং এটি মূলত লজিস্টিক সহায়তা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।

 

সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইরানে হামলার সময় কোনো ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হলে পাইলটদের উদ্ধারের জন্য বিশেষ অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দলও ওই ঘাঁটিতে প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত এমন কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি।

 

এক পর্যায়ে ইসফাহান এলাকার কাছে একটি মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র দাবি করেছে। তখন ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তার প্রস্তাব দেয়। পরে মার্কিন বাহিনী নিজেদের দুই পাইলটকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। ওই অভিযানে ইসরায়েলি বাহিনীও অংশ নেয় এবং উদ্ধার তৎপরতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিমান হামলা চালায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

এদিকে সৌদি সীমান্তঘেঁষা মরুভূমি এলাকায় সন্দেহভাজন অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজতে ইরাকের নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান চালাচ্ছিল। প্রথম দফায় পাঠানো ইউনিট হামলার মুখে পড়ার পর দেশটির কাউন্টার টেররিজম সার্ভিসের আরও দুটি ইউনিট সেখানে মোতায়েন করা হয়। পরে তারা এলাকায় সামরিক উপস্থিতির বিভিন্ন আলামত খুঁজে পায়।

 

প্রসঙ্গত, আইএসবিরোধী অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ইরাকের বিশেষ এই ইউনিটগুলো দীর্ঘদিন ধরেই সীমান্তবর্তী মরু অঞ্চলে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।