বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৪:২৬:০৮ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

মারা গেলেন নোবেল পেয়েও প্রত্যাখ্যান করা সেই সাহিত্যিক

মারা গেলেন নোবেল পেয়েও প্রত্যাখ্যান করা সেই সাহিত্যিক

৮৮ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ জাপানের নোবেলজয়ী সাহিত্যিক কেনজাবুরো ওয়ি। গত ৩ মার্চ রাজধানী টোকিওতে তিনি মারা যান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার প্রকাশক কোদানশা। এক প্রতিবেদনে এ মন তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

কেনজাবুরো ওয়ি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন বলে জানান তার প্রকাশক কোদানশা।


সামরিকবাদ ও পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ থেকে শুরু করে নিষ্কলুষতা ও ট্রমা ইত্যাদি বিস্তৃত বিষয় নিয়ে লিখেছেন কেনজাবুরো ওয়ে। ফিকশন আর প্রবন্ধ দুই ঘরানায় ছিলেন সিদ্ধহস্ত। তার লেখায় ছিল ফরাসি ও মার্কিন সাহিত্যের শক্তিশালী প্রভাব।

নিজের লেখা উপন্যাস ‘একটি ব্যাক্তিগত ব্যাপার’র (এ পারসোনাল ম্যাটার) সুবাদে ২০১৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন ওয়ি। কিন্তু জাপানের রীতি অনুযায়ী দেশটির সম্রাটের কাছ থেকে এই পুরস্কার গ্রহণ করতে হতো বলে তা বর্জন করেন তিনি। এসময় তিনি বলেছিলেন, ‘আমি গণতন্ত্রের চেয়ে উচ্চতর কোনো কর্তৃত্ব, কোনো মূল্যকে স্বীকৃতি দিই না।’

জাপানের মূল দ্বীপগুলোর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে ছোট শিকোকুতে ১৯৩১ সালে জন্ম নেন ওয়ি। সাত ভাইবোনোর মধ্যে তৃতীয় ছিলেন তিনি। ১৯৪৪ সালে পিতার মৃত্যুর পর মায়ের অভিভাকত্বে বড় হন তিনি।


শৈশবেই ওয়ির মধ্যে সাহিত্য সম্পর্কে আগ্রহ জাগিয়ে তুলেছিলেন তার মা। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে ওয়ি জানিয়েছেন, ‘হাকলবেরি ফিন’ এবং এ রকাম ইংরেজি ও ইউরোপীয় সাহিত্যের অনেক ক্ল্যাসিক রচনা শৈশবে তাকে কিনে দিতেন তার মা।