সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৯:০৮:৩৫ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

একাত্তরের মামলায় খালাস পেলেন মোবারক হোসেন

একাত্তরের মামলায় খালাস পেলেন মোবারক হোসেন

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা মোবারক হোসেনকে খালাস দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।
 

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ মঙ্গলবার এই রায় দেন। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ বাতিল করেন আপিল বিভাগ।
 

এর আগে, ২০১৪ সালের ২৪ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ মোবারক হোসেনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় দেন। পাঁচটি অভিযোগের মধ্যে দুইটি প্রমাণিত হওয়ায় ১ নম্বর অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড এবং ৩ নম্বর অভিযোগে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপর তিনটি অভিযোগ (২, ৪ ও ৫ নম্বর) প্রমাণিত না হওয়ায় তিনি খালাস পান।
 

১ নম্বর অভিযোগে বলা হয়েছিল, আখাউড়ার টান মান্দাইল গ্রামে ৩৩ জন নিরীহ মানুষকে গঙ্গাসাগর দীঘির পাড়ে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করেন মোবারক হোসেন। আর ৩ নম্বর অভিযোগে, মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তাকারী আব্দুল খালেককে অপহরণ করে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ ছিল।
 

এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন মোবারক হোসেন। সর্বশেষ চলতি বছরের ৮ জুলাই তার আপিলের ওপর শুনানি শেষ হয়।
 

ট্রাইব্যুনালের রায়ে উল্লেখ ছিল, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মোবারক হোসেন জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগ সব বিবেচনায় তাকে খালাস দেন।