মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৪:১৮:০১ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

নারকেলের শাঁসে থাকা গুণাবলী

নারকেলের শাঁসে থাকা গুণাবলী

নারকেল আমাদের সবার কাছে পরিচিত একটি ফল। নারকেলের পানি যেমন পানীয় হিসেবে খাওয়া স্বাস্থ্যকর, তেমনি নারকেলের শাঁসও অনেক উপকারী। নারকেল থেকে পানি বের করার পর ছুরি বা চামচ দিয়ে শাঁসটুকু নেওয়া যায়। বর্তমানে নারকেলের শাঁস থেকে মাখন তৈরি হয়, যা দোকানে কিনতে পাওয়া যায়।

নারকেলের শাঁসের কতগুলো গুণ আছে, চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১. ফাইবারের উৎসের খনি বলা চলে নারকেলের শাঁসকে। ১০ গ্রাম শাঁসে গমের চেয়েও বেশি ফাইবার থাকে। ফাইবার আমাদের হজমশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে।

২. শাঁসে থাকা পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ কমায়। যার কারণে উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের নারকেলের পানি ও শাঁস খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এ ছাড়া পটাশিয়াম আমাদের দেহে পানি ও সোডিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখে। তাই ব্যায়াম করার আগে ও পরে অনেকে এটি খেয়ে থাকে। আধা কাপ শাঁসে ২৮৫ গ্রাম পটাশিয়াম থাকে।

৩. নারকেলের শাঁসে থাকে অ্যামিনো এসিড, যা এক ধরনের প্রোটিন। এটি লিভার সমস্যা প্রতিরোধ করে। ত্বকে প্রদাহ কমায় এবং দাঁতের গঠন মজবুত করে।

৪. আয়রনের অন্যতম একটি উৎস নারকেলের শাঁস। প্রতিদিন আধা কাপ শাঁস খেলে আপনার দেহের আয়রনের ঘাটতি পূরণ হবে। এটি দেহে অক্সিজেনের প্রবাহ নিশ্চিত করে। শরীরে শক্তি জোগায়। এ ছাড়া রক্তস্বল্পতা রোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

৫. শাঁসে থাকা ভিটামিন লোহিত রক্তকণিকা বাড়াতে সাহায্য করে। মানসিক বিকাশে উন্নতি ঘটায় ও বিপাকব্যবস্থা ভালো রাখে।

৬. শাঁসে থাকা সামান্য ফ্যাট বা চর্বি দেহে ইনসুলিনের ভারসাম্য বজায় রাখে। ডায়াবেটিসজনিত কারণে শরীরের ক্ষতি রোধ করতে সাহায্য করে। 

৭. অতিরিক্ত ওজন কমাতে সহায়তা করে নারকেলের শাঁস। খুব অল্প ক্যালোরিতেই বিপাক বৃদ্ধি করে অল্পক্ষণের মধ্যেই শরীরে শক্তি জোগায়। তাই নারকেলের শাঁস খেলে সহসা ক্ষুধা লাগে না। সে ক্ষেত্রে শরীরের ওজন কমাতে সহায়ক এটি।