সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১২:৫৫:৩৪ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

হাইকোর্টে বাতিল: ৬৫৩১ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকের নিয়োগ

হাইকোর্টে বাতিল: ৬৫৩১ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকের নিয়োগ

ঢাকা প্রেস নিউজ

 

ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে উত্তীর্ণ ৬ হাজার ৫৩১ জন প্রার্থীর নিয়োগপত্র দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে হাইকোর্ট।
 

আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
 

এর আগে, গত ১৯ নভেম্বর, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ৬ হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগপত্র প্রদানের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছিল হাইকোর্ট। এ বিষয়ে শুনানি শেষে বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি মাহমুদুর রাজীর বেঞ্চ চূড়ান্তভাবে এ আদেশ দেন। আদালত কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে এ সিদ্ধান্ত নেয়।
 

গত ৩১ অক্টোবর, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের (তিন পার্বত্য জেলা ব্যতীত) চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়, যেখানে ৬ হাজার ৫৩১ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। এই ফল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়।
 

এর আগে, গত ২৮ মে, হাইকোর্ট ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের (তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছিল। পরবর্তীতে, আপিল বিভাগ হাইকোর্টের দেওয়া ওই স্থগিতাদেশ খারিজ করে দিলে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করে। তবে, লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ গণমাধ্যমে আসার পর, আদালত তা তদন্তের নির্দেশ দেন।