সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১১:৫৬:৪২ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে, সেপ্টেম্বরের শেষেই প্রকোপ চূড়ায় ওঠার আশঙ্কা

ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে, সেপ্টেম্বরের শেষেই প্রকোপ চূড়ায় ওঠার আশঙ্কা

ঢাকা প্রেস প্রতিবেদক

 

দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। চলতি সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে অক্টোবরের শুরুর দিকে ডেঙ্গুর প্রকোপ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত।
 

বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আঁচল ফাউন্ডেশন ও হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট সেন্টার আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
 

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, মঙ্গলবার থেকে সারাদেশে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ এবং অক্টোবরের শুরুতে ডেঙ্গুর প্রকোপ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে।
 

ডেঙ্গু মোকাবিলায় তিন মাসব্যাপী জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি চালুর কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এ কার্যক্রমে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করা হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঘরবাড়ি ও কর্মস্থল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে সক্রিয় হতে হবে।
 

তিনি আরও বলেন, সিটি করপোরেশন, স্থানীয় সরকার এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে কাজ করবে।
 

ডা. এম এ মুহিত জানান, ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো আক্রান্তের সংখ্যা কমানো এবং মৃত্যুহার নিয়ন্ত্রণে রাখা। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রায় তিন হাজার চিকিৎসককে ডেঙ্গু রোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
 

ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়লে হাসপাতালগুলোতে শয্যা, স্যালাইন ও পরীক্ষার কিটের সংকট যাতে না হয়, সে জন্য আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমান রোগীর সংখ্যার ভিত্তিতে পর্যাপ্ত ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট ও স্যালাইন মজুত রয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত শয্যাও চালু করা হয়েছে। রোগীর চাপ বাড়লে প্রয়োজনে অন্যান্য শয্যা পুনর্বিন্যাস করে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হবে।
 

ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধির সম্ভাব্য সময়ে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন হলে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকেও ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় ভূমিকা রাখতে হবে। একই সঙ্গে ডেঙ্গু চিকিৎসার ক্ষেত্রে অযৌক্তিকভাবে ব্যয় বাড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
 

বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত শয্যা রাখারও আহ্বান জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।