মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১২:৫০:৪৪ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

হাঁপানি রোগীর খাবার সম্পর্কে জেনে নিন

হাঁপানি রোগীর খাবার সম্পর্কে জেনে নিন

হাঁপানি বা অ্যাজমার সমস্যায় আক্রান্ত সকলেরই রয়েছে নানা বাছবিচার। খাবারের ব্যাপারে নানা নিষেধাজ্ঞা তো আছেই। চলুন জেনে নেই হাঁপানি রোগীর খাবার সম্পর্কে: 

যা খাবেন

  • অ্যাজমার নিরাময়ে কোনো নির্দিষ্ট খাবার নেই। ফল আর সবজি এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। ফল আর সবজিতে বেটা ক্যারোটিনের মতো অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ভিটামিন ই থাকে। এসকল উপাদান দেহের উপকার সাধন করে। এছাড়া ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা উচিত। এধরণের খাবার খেলে ফুসফুসে প্রদাহের সমস্যা সৃষ্টি করে এমন উপাদানগুলো কিছুটা ব্যাহত হয়।

  • ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার বেশি বেশি খাওয়া উচিত। অনেকে রোদের মাধ্যমে এই ভিটামিন ডি জোগাড় করতে পারে। তবে কিছু সামুদ্রিক মাছ ও খাবারে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। এতে ইমিউন সিস্টেম আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। 

  • বাদাম ও বীজজাতীয় খাবারও অ্যাজমার অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে। কারণ এতে প্রচুর ভিটামিন ই পাওয়া যায় যা দেহের জন্যে প্রয়োজনীয়। 

  • টমেটো দিয়ে রান্না করা খাবার বেশি খেলে উপকার মেলে।


যা খাবেন না

  • অ্যাজমার সমস্যা থাকলে শুষ্ক ফল এড়িয়ে চলবেন। শুকনো ফলে সালফাইট থাকে প্রচুর পরিমাণে। আর সালফাইট অ্যাজমার সমস্যা বাড়ায়। অ্যালকোহল ও অন্যান্য অনেক খাবারেও ঝামেলা হতে পারে।

  • গ্যাস উৎপন্ন করে এমন খাবার যেমন বিনজাতীয় সবজি, রসুন, আচার ইত্যাদি খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। 

  • কফি, চা বা অন্যান্য অনেক পানীয়তে স্যালিসিলেটস নামক পদার্থ থাকে। এই উপাদান দেহের প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করতে পারলেও শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করে। তাই কফি এড়িয়ে চলতে হবে। 

  • মাছের ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড অ্যাজমা আক্রান্ত রোগীর প্রচুর ক্ষতি করে। 

  • সাপ্লিমেন্ট বা কোনো ধরণের লিকুইড নাইট্রোজেন দেহের ক্ষতি করে।