রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০২:১১:২৫ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• বাঙ্গরা উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রথম মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠার আহ্বান •       • কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০, ছয়জনের পরিচয় শনাক্ত •       • অভিযানেও থামছে না অবৈধ অটোরিকশা, ডাম্পিং এড়াতে আরও বেপরোয়া চালকরা •       • মুরাদনগরে ২৮ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার •       • অর্থাভাবে থমকে থাকা চোখে আলোর পরশ: মুরাদনগরে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন ৩০০ মানুষ •       • মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •       • জীবনের পরম তৃপ্তি ও এক অদ্ভুত বাস্তবতা: নাজমুল হাসান সরকার সহকারী সচিব •       • ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •

কক্সবাজারে নদী ও পরিবেশ দূষণ করলে হোটেল বন্ধের নির্দেশ

কক্সবাজারে নদী ও পরিবেশ দূষণ করলে হোটেল বন্ধের নির্দেশ

কক্সবাজারে কোনো হোটেল নদী বা পরিবেশ দূষণ করলে শুধু জরিমানা নয়, তা বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন। পাশাপাশি, হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পাওয়ার পর বাঁকখালী নদীর দখলদারদের সমন্বিত তালিকা তৈরি করে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
 

শনিবার কক্সবাজার সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে ‘হাইকোর্টের আদেশ মোতাবেক বাঁকখালী নদী দখলমুক্তকরণের লক্ষ্যে বিশেষ সমন্বয় সভা’ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এই তথ্য জানানো হয়। সভা সকাল ১০টায় শুরু হয়।
 

সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফা, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ সালাহউদ্দীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নিজাম উদ্দিন আহমেদ, জেলা প্রশাসন, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।
 

এর আগে ২৪ আগস্ট হাইকোর্ট কক্সবাজারের বাঁকখালীর সীমানায় থাকা সব দখলদারের তালিকা তৈরি করে আগামী চার মাসের মধ্যে উচ্ছেদ এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ দেয়। নদীটিকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ECA) হিসেবে ঘোষণা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা গ্রহণেরও নির্দেশ দেওয়া হয়।
 

হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, নদীর বর্তমান প্রবাহ ও আরএস জরিপের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করে নদী সংরক্ষণ করতে হবে। নদী সংলগ্ন সব ইজারা বাতিল করতে, ম্যানগ্রোভ বন পুনঃস্থাপন করতে এবং নদী ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অন্য উদ্দেশ্যে ইজারা প্রদানে বিরত থাকতে হবে।
 

নদীর গুরুত্ব বিবেচনা করে মামলাটি চলমান মামলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। আদালত প্রতি ছয় মাস অন্তর উল্লিখিত নির্দেশ প্রতিপালনের প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ দিয়েছেন।
 

বিষয়টি বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) দায়ের করা মামলার চূড়ান্ত শুনানি শেষে, বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দীকার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের রায়ে নিশ্চিত হয়।