রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৩:৩৭:০৫ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• বাঙ্গরা উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রথম মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠার আহ্বান •       • কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০, ছয়জনের পরিচয় শনাক্ত •       • অভিযানেও থামছে না অবৈধ অটোরিকশা, ডাম্পিং এড়াতে আরও বেপরোয়া চালকরা •       • মুরাদনগরে ২৮ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার •       • অর্থাভাবে থমকে থাকা চোখে আলোর পরশ: মুরাদনগরে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন ৩০০ মানুষ •       • মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •       • জীবনের পরম তৃপ্তি ও এক অদ্ভুত বাস্তবতা: নাজমুল হাসান সরকার সহকারী সচিব •       • ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •

কুড়িগ্রাম শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে চলাচলকারী

কুড়িগ্রাম শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে চলাচলকারী

আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:-


 

কুড়িগ্রাম জেলা শহরের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যানবাহনের চালক, পথচারী ও ব্যবসায়ীরা। একটি সড়ক সড়ক বিভাগের, আরেকটি পৌরসভার আওতাধীন। খানাখন্দে ভরা এসব সড়কে জমে থাকা কাদা পানির কারণে প্রতিদিনই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হাজারো মানুষকে।
 

সরেজমিনে দেখা গেছে, ঘোষপাড়া থেকে তারামন বিবি মোড় পর্যন্ত সড়ক বিভাগের প্রায় দুই কিলোমিটার এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলক থেকে গহরপার্ক পর্যন্ত পৌরসভার প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়ক এখন চলাচলের অনুপযোগী। অথচ এই সড়কের পাশে রয়েছে জেলার সবচেয়ে বড় কাঁচামালের আড়ত, চালের আড়ত, কাপড় মার্কেটসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসা কেন্দ্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও সোনাহাট স্থলবন্দরমুখী যানবাহনের প্রধান চলাচলও এই সড়ক দিয়েই।
 

দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন পরিবহন চালক ও ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় বাসিন্দা হাসিবুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অনেকদিন ধরে সড়ক দুটি ব্যবহার অনুপযোগী হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

 
শহরের জিয়া বাজার এলাকার ব্যবসায়ী আশরাফুল হক রুবেল জানান, এই সড়কের দুই পাশে পাইকারি কাঁচামাল মার্কেট ও কাপড় মার্কেট রয়েছে। কিন্তু বৃষ্টি হলে পানি জমে হাঁটা যায় না। ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত মেরামতের দাবি জানাচ্ছি।

 
কুড়িগ্রাম পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আতিকুর রহমান বলেন, পৌরসভার আওতায় থাকা গুরুত্বপুর্ণ সড়কটি দ্রুত মেরামতের কাজ করা হবে।

 
অন্যদিকে সড়ক বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান সরকার বলেন, গত এক বছর ধরে দরপত্র অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু হবে।

 
তথ্যমতে, কুড়িগ্রাম শহরের ভেতরে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার। এর মধ্যে সড়ক বিভাগের দুই কিলোমিটার এবং পৌরসভার দেড় কিলোমিটার। বর্তমানে পৌরসভার আওতাধীন মোট ১৬৩ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে ৩৮ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে।