সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৬:৪৮:২২ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

প্রতারণার মামলায় চিত্রনায়িকার বাবা কারাগারে

প্রতারণার মামলায় চিত্রনায়িকার বাবা কারাগারে

চলচ্চিত্র নির্মাণের নামে কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগে চিত্রনায়িকা পূজা চেরির বাবা দেবু প্রসাদ রায়কে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় করা ১৩ কোটি টাকার অর্থ আত্মসাতের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে আদালতের নির্দেশে গত ১৮ এপ্রিল তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। বিষয়টি শনিবার নিশ্চিত করেন আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগ ও ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান।

ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস তার কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে ওই দিনই ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান ক্যান্টনমেন্ট থানায় প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলা দায়ের করেন। 

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, চলচ্চিত্র প্রযোজনার ব্যবসার কথা বলে দেবু প্রসাদ রায় ভুক্তভোগী ও তার বন্ধু মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ২০১৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা ধার নেন। পরে একই খাতে আরও ৫০ লাখ টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে এবং ২০২৪ সালের ১৫ মে স্ট্যাম্প চুক্তির মাধ্যমে ৬ কোটি টাকা গ্রহণ করেন।

এছাড়া বিকাশ, নগদ ও রকেটের বিভিন্ন নম্বরে ধাপে ধাপে আরও ১ কোটি ২০ লাখ টাকা পাঠানো হয়। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ আরও ১০ হাজার ২০০ টাকা বিকাশে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

ভুক্তভোগীর দাবি, দীর্ঘদিন পার হলেও কোনো টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি। টাকা চাইতে গেলে বিভিন্ন অজুহাত ও পরে হুমকি দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে তার কাছ থেকে মোট ১৩ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।