বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০১:৩৬:২৩ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

হিরোশিমায় ঐতিহাসিক স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার নেতৃবৃন্দের

হিরোশিমায় ঐতিহাসিক স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার নেতৃবৃন্দের

জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার নেতৃবৃন্দ হিরোশিমায় আনবিক বোমায় নিহত কোরিয়ানদের স্মরণে নির্মিত ঐতিহাসিক স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন করেছেন।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইয়ন সুক ইয়েল পাশাপাশি দাঁড়িয়ে রবিবার স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময়ে তাদের স্ত্রীরা সঙ্গে ছিলেন। 

হিরোশিমায় অনুষ্ঠিত সাত জাতি গ্রুপের শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে তারা স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন করেন। শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক দেশ জাপান সদস্য নয়, এমন কয়েকটি দেশকেও আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়াও রয়েছে।

এ প্রথমবারের মতো দুদেশের নেতৃবৃন্দ যৌথভাবে স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন করেন। যদিও জাপানের প্রধানমন্ত্রীর জন্যে এটি ছিল দ্বিতীয়বার।

উল্লেখ্য, দুদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিহাস এক বড়ো বিষয় হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। কোরীয় উপদ্বীপে ১৯১০ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত ঔপনিবেশিক দখলদারিত্বের সময়ে জাপান দেশটির ওপর যৌন দাসত্ব ও জোরপূর্বক শ্রমে বাধ্য করাসহ নানা ধরনের নৃশংসতা চালায়।

এছাড়া ২০১৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার আদালত জাপানী সংস্থাগুলোকে জোরপূর্বক শ্রমের শিকার ও তাদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দেয়ার পর দুদেশের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকে।

তাই প্রতিবেশী এ দুদেশ সম্পর্কে বরফ গলানোর লক্ষ্য নিয়ে যেসব কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে এটি তার সর্বশেষ পদক্ষেপ।